
আবারও ভাঙনের কবলে কপিলমুনির আশ্রম। দোল পূর্ণিমার সময় কোটালে সাগরের বড় বড় ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে কপিলমুনি আশ্রমের সামনে সমুদ্র বাঁধে। নতুন করে ভেঙেছে ১ থেকে ৪ নম্বর স্নানঘাটের রাস্তা। নিয়মিত তীব্র ভাঙনের জেরে কপিলমুনির মন্দিরের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার পথে।
একের পর এক ভাঙনের ফলে বলাই বড় বিপদের মুখে কপিলমুনির আশ্রম। একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভাঙন বিধ্বস্ত গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি আশ্রমের সামনের সাগরপাড়। এখানেই কোনক্রমে আপৎকালীন মেরামত করেই ২০২৫ সালে গঙ্গাসাগর মেলা শেষ করেছে রাজ্য সরকার। তবে ভয়াবহ ভাঙনের জেরে বন্ধ রাখতে হয়েছিল ২ থেকে ৪নম্বর স্নান ঘাট পর্যন্ত পুণ্য স্নান। ফলে ১,৪,৫, এবং ৬ নম্বর ঘাটে স্নান সেরে বহুপথ অতিক্রম করে কপিলমুনি মন্দিরে পৌঁছতে হয়েছিল পুণ্যার্থীদের। এবার আবারও পূর্ণিমার কোটালে সাগরের উত্তাল ঢেউর কারণে নতুন করে ভাঙছে কপিলমুনি আশ্রমের সামনে ১ থেকে ৪ নম্বর স্নান ঘাট।
ভাঙনের ফলে ক্রমেই কমছে কপিলমুনি আশ্রম থেকে সমুদ্রের দূরত্ব। সামনেই রয়েছে দুর্যোগের মরশুম। ফলে কপিলমুনি আশ্রম রক্ষা নিয়ে চিন্তিত স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে তীর্থযাত্রীরা। দ্রুত স্থায়ী মেরামতের দাবি তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে বরাবরের মতো গঙ্গাসাগরে কপিলমুনি আশ্রমের সামনে সমুদ্রবাঁধ ভাঙন নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মতোবিরোধ। স্থানীয় বিজেপি নেতার বক্তব্য, “এটা তো একটা নিত্য দিনের খবরের মতো। এই রাজ্য সরকার এই মেলার আগে কোটি কোটি বাজেট নিয়ে আসছে। তবে তৃণমূলের নেতারা তা চুরি করে নিচ্ছে।” এক স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান,”আমরা খুবই আতঙ্কে আছি। কারণ আমরা তো নদী তীরবর্তী দোকানদার। জায়গা ছোট হয়ে গেলে দোকান পড়ে যাবে।”
সংবাদদাতা- প্রসেনজিৎ সাহা