Advertisement

চোর সন্দেহে ইঞ্জিনিয়ারকে বেধড়ক মার, ঝাড়গ্রামে গুজবের বলি ৩৩-এর যুবক

গুজবের জেরেই মৃত্য়ু হল এক তরতাজা যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ি ব্লকের খাজরা গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকায়। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ (৩৩)।

চোর সন্দেহে ইঞ্জিনিয়ারকে বেধড়ক মারচোর সন্দেহে ইঞ্জিনিয়ারকে বেধড়ক মার
Aajtak Bangla
  • খড়গপুর,
  • 22 Feb 2026,
  • अपडेटेड 2:45 PM IST
  • গুজবের জেরে মার্মান্তিক ঘটনা।
  • গুজবের জেরেই মৃত্য়ু হল এক তরতাজা যুবকের।
  • ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্য়ুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

গুজবের জেরে মার্মান্তিক ঘটনা। শুধুমাত্র গুজবের জেরেই মৃত্য়ু হল এক তরতাজা যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ি ব্লকের খাজরা গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকায়। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ (৩৩)। তাঁর মৃত্য়ুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

আসলে কী ঘটনা ঘটেছে?

মৃত সৌম্যদীপ চন্দ আদতে পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার। জানা গিয়েছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রাতে বাইক নিয়ে খড়্গপুরে নাইট ডিউটিতে যাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ,  খড়্গপুরের ভেটিয়া সংলগ্ন আনরকলি এলাকায় বেশ কয়েকজন যুবক তাঁকে আচমকা ঘিরে ধরে চোর সন্দেহে মারতে থাকে। কোনও ভাবেই নিজের পরিচয় ওই যুবকদের বোঝাতে পারেনি সৌম্যদীপ। তাঁর মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করে। 

কিন্তু খড়গপুর মহকুমা হাসপাতাল থেকে তাঁকে রেফার করা হয় ভুবনেশ্বরের হাইটেক হাসপাতালে। সেখানেই প্রায় দশদিন আইসিউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েন তিনি। অবশেষে শুক্রবার রাত ১০টা বেজে ৩৪ নাগাদ মৃত্যু হয় সৌম্যদীপের। শনিবার তাঁর দেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হলে, কান্নায় ভেঙে পড়ে শোকার্ত পরিবার। নিহতের পরিবারের দাবি, চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, স্পাইনাল কর্ডে গুরুতর আঘাত লেগেছিল। 

কোন গুজবের জেরে এমন মর্মান্তিক পরিণতি?

জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকেই ঝাড়গ্রামের বেশ কিছু এলাকায় ডাকাতের গুজব রটতে শুরু করেছে। সেই গুজবে বলা হচ্ছে, রাত হলেই নাকি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা বাড়ির দরজায় টোকা দিচ্ছেন। দরজা খুললে তাঁরা ভোটার কার্ড, আধার কার্ড চাইছেন। ওই ভাবে কয়েকটি জায়গায় নগদ টাকা ও সোনার গয়না লুট হয়েছে বলে দাবি করা হয়। ফলে গ্রামবাসীদের মধ্যে এমনিতেই আতঙ্ক চরমে ছিল। রাতে অচেনা যুবককে দেখে তাঁদের সন্দেহ হয় ও বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ।

যদিও যে এলাকায় মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ, সেই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা কিন্তু দাবি করছেন, ওই ইঞ্জিনিয়ার যুবককে মারধর করা হয়নি। তাঁকে গাড়ি থামাতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তা না করে ওই যুবক জোরে বাইক চালিয়ে চলে যেতে গিয়ে পড়ে যান ও গুরুতর জখম হন। 

Advertisement

এই ঘটনায় শনিবার পর্যন্ত কোনও ব্যক্তি গ্রেফতার হননি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement