Advertisement

Nadia: নদিয়ার দুই বুথে বাদ ১৩০ ভোটার, তাঁদের মধ্যে ১২০ জনই মহিলা, মমতার অভিযোগ কি সত্যি? 

নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত সীমান্তঘেঁষা গেদে গ্রামে অভিযোগ উঠেছে, ভোটার তালিকা থেকে শতাধিক মহিলার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখে গ্রামবাসীরা জানতে পারেন, কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই বহু মহিলার নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:46 AM IST
  • নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • তাঁর অভিযোগ ছিল, এই প্রক্রিয়ায় বাংলার মহিলা ভোটারদের টার্গেট করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, এই প্রক্রিয়ায় বাংলার মহিলা ভোটারদের টার্গেট করা হচ্ছে। এবার নদিয়ার সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম থেকে এমনই এক ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে, যা সেই বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছে।

নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত সীমান্তঘেঁষা গেদে গ্রামে অভিযোগ উঠেছে, ভোটার তালিকা থেকে শতাধিক মহিলার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখে গ্রামবাসীরা জানতে পারেন, কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই বহু মহিলার নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

গ্রামের ১৭ এবং ১৯ নম্বর বুথের মোট ১৩০ জন ভোটার এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁদের মধ্যে ১২০ জনই মহিলা। অধিকাংশই গৃহবধূ। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই পরিবারভিত্তিক ‘প্রোজেনি ম্যাপিং’ করা হয়েছিল। অর্থাৎ বাবা-মায়ের নামের সঙ্গে পারিবারিক সংযোগ দেখিয়ে তাঁরা বৈধ ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

কিন্তু অভিযোগ, সেই বৈধ লিংক থাকা সত্ত্বেও তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও চূড়ান্ত তালিকায় তাঁদের নাম আর রাখা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা।

বহু মহিলা কমিশনের নিয়ম মেনে বাবার নামের সঙ্গে নিজের পারিবারিক লিংক দেখিয়ে ম্যাপিং করেছিলেন। পরে শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, সার্টিফিকেট, জাতিগত শংসাপত্রসহ বিভিন্ন নথি জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু এত কিছু জমা দেওয়ার পরও তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায় বলে অভিযোগ।

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বাংলায় মহিলারাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় ভোটব্যাঙ্ক। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো একাধিক সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের আর্থিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই পরিকল্পিতভাবে মহিলা ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হলে নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা পেতে পারে বিজেপি।

Advertisement

এদিকে নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের বক্তব্য, পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম তালিকায় থাকলেও অজানা কারণে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত কারণ জানানো এবং বৈধ ভোটারদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন তাঁরা।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement