
ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলডাঙা থেকে সে রাজ্যে কাজের সন্ধানে যাওয়া এক পরিযায়ী শ্রমিকের হত্যার ঘটনা ঘিরে তোলপাড় পরিস্থিতি। এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অভিষেক।
ডায়মন্ড হারবারারে তৃণমূল সাংসদ ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, বেলডাঙার শ্রমিক হত্যায় জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। দলীয় সূত্রের খবর, ফোনে হেমন্ত সোরেন অভিষেককে আশ্বস্ত করেছেন। জানিয়েছেন, পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কোনও বিলম্ব না করে দোষীদের গ্রেফতার করা হবে।
বাংলাদেশি সন্দেহে বাংলার শ্রমিক খুনের অভিযোগ ঝাড়খণ্ডে। এই ঘটনা সামনে আসার পরই বেলডাঙায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা। এর প্রতিবাদে রেললাইন এবং জাতীয় সড়কে শুরু হয়ে যায় অবরোধ। এমনকী এক সাংবাদিককে মারা হয় বলেও অভিযোগ। এই অশান্তি সম্পর্কে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'দেখুন আপনারা জানেন যে বেলডাঙায় কাদের কাদের প্ররোচনা রয়েছে। আমি বেশি কিছু বলতে চাই না। শুক্রবার জুম্মাবার.... সংখ্যালঘুদের কাছে একটা সেন্টিমেন্ট রয়েছে। সেখানে শুক্রবার অনেকেই নামাজ পড়তে এসেছে। এখানে কেউ যদি রাজনৈতিক চরিতার্থ পূরণ করার জন্য উস্কে দেয়।' অর্থাৎ এই ঘটনার জন্য তিনি আদতে বিরোধীদের দিকেই আঙুল তুলছেন। তিনি আরও বলেন, 'সংখ্যালঘুদের ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক। তাঁদের এক তরফা বাদ দিতে পারে না। যেটা দিয়েছে। আদিবাসীদের দিয়েছে। মতুয়াদের দিয়েছে। রাজবংশীদের দিয়েছে। বাঙালিদের দিয়েছে। এখানে অবাঙালিদেরও দিয়েছে। হোয়াটস অ্যাপে ২ মাসে ২০০ বার নোটিস এসেছে। বিএলও-রা খুব চাপে রয়েছে। ইতিমধ্যে ১০০ জনের মতো লোক মারা গেছে। সাংঘাতিক অবস্থা।'