Advertisement

Suvendu Adhikari at Anandapur: 'দেড় লাখ নেওয়া হয়, টাকা যায় টুবাইয়ের কাছে,' আনন্দপুরে দগ্ধ মোমো কারখানা নিয়ে বড় দাবি শুভেন্দুর

আনন্দপুরে মোমো কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর এখনও নিখোঁজ প্রায় ২৭ জন। ২১টি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর এখনও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কেন এলেন না, প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার আনন্দপুর মোমো কারখানা পরিদর্শনে যান শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এই কারখানা থেকে অবৈধভাবে দেড় লক্ষ টাকা নেওয়া হত।

আনন্দপুরে শুভেন্দু অধিকারীআনন্দপুরে শুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:43 PM IST

আনন্দপুরে মোমো কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর এখনও নিখোঁজ প্রায় ২৭ জন। ২১টি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর এখনও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কেন এলেন না, প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার আনন্দপুর মোমো কারখানা পরিদর্শনে যান শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এই কারখানা থেকে অবৈধভাবে দেড় লক্ষ টাকা নেওয়া হত।

শুভেন্দু এদিন বলেন, "এখানে মৃত্যুমিছিল। মুখ্যমন্ত্রী আসেননি। তাঁর আগেই আসা উচিত ছিল। এখান থেকে তাঁর বাড়ি ১০ কিলোমিটার। তিনি প্রশাসনিক কর্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী রাজধর্ম পালন করেননি। মেয়র ফিরহাদ হাকিম এসেছেন, অরূপ বিশ্বাস, সুজিত বোসেরা এসেছেন কাউকে বাধা দেয়নি। আমাকে কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে?" এই যে জতুগৃহ কলকাতা বা বৃহত্তর কলকাতায় তৈরি হয়েছে এর জন্য স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস ও স্থানীয় থানাগুলি দায়ী। এই যে গোডাউনটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা ভাড়া পান। তার মধ্যে ৬০ হাজার টাকা স্থানীয় বিধায়কের হাতে দিয়ে দেন। না আছে লাইসেন্স, না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। এরপরও কেন চুপচাপ? কেন ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবেন না? চাকরি দেবেন না? জলাভূমিতে কেন কারখানা হবে?"

শুভেন্দুর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বলেন, এদিকে উত্তর ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরের ছেলেরা পেটের টানে কাজ করতে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিণতি কী হল দেখুন। আগুন লেগেছে মধ্যরাতে। দমকল এসেছে ৬ ঘণ্টা পরে। কলকাতার উপকণ্ঠে যদি এই অবস্থা হয় তাহলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষজনের কী অবস্থা হবে? এদের মৃত্যু হল মৃত্যুপুরীতে। এই জলাভূমিগুলি বুজিয়ে কী করেছে দেখুন! টাকা ছাড়া আর কোনও কথা নেই। সোনারপুরকে বেচে দিয়েছেন তৃণমূলের চোরেরা। এই কারখানা ভাড়া দিয়ে অবৈধভাবে দেড় লাখ টাকা নেওয়া হয়। ৬০ হাজার টাকা বিধায়কের পিএ টুবাইয়ের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। আজকের এই অগ্নিকাণ্ড মৃত্যুর জন্য শাসক দল, রাজ্যের প্রশাসন, স্থানীয় পুলিশ দায়ী।" শুভেন্দু দাবি তোলেন, আসল মধু যারা খেয়েছেন তাদের জেলে পুড়তে হবে।
 

Advertisement

আরও পড়ুন

Read more!
Advertisement
Advertisement