Advertisement

Who Is Anubrata Mondal : মাছ বিক্রেতা থেকে বীরভূমের বাদশা, অনুব্রত-কথা হার মানায় সিনেমাকেও

১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল নানুরের হাটসেরান্দি গ্রামে কৃষক পরিবারে জন্ম অনুব্রত মণ্ডলের। পড়াশোনা করেছেন ক্লাস এইট পর্যন্ত। অনুব্রত মণ্ডলের বাবার মুদির দোকান ছিল। অল্প বয়স থেকেই সেই দোকানে বসতেন অনুব্রত।

অনুব্রত মণ্ডল (ফাইল ছবি) অনুব্রত মণ্ডল (ফাইল ছবি)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ও বীরভূম ,
  • 13 Aug 2022,
  • अपडेटेड 2:56 PM IST
  • ১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল নানুরের হাটসেরান্দি গ্রামে কৃষক পরিবারে জন্ম অনুব্রত মণ্ডলের
  • পড়াশোনা করেছেন ক্লাস এইট পর্যন্ত

তিনি মন্ত্রী নন। নন সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলর বা পঞ্চায়েত সদস্যও। কিন্তু সেই অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য় রাজনীতি। কেন? অনুব্রত মণ্ডল যে বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি, তিনি একজন বিতর্কিত চরিত্র, দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা তা সবাই জানি। কিন্তু, তিনি রাজনীতিতে এলেন কীভাবে? তাঁর পড়াশোনা কতদূর? কীভাবে বীরভূমে একছত্র আধিপত্য কায়েম করলেন? রাজনীতির আগে কী করতেন ? এগুলো বোধহয় সবার জানা নেই। 

কে এই অনুব্রত মণ্ডল? কীভাবে তাঁর রাজনীতিতে উত্থান? 

১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল নানুরের হাটসেরান্দি গ্রামে কৃষক পরিবারে জন্ম অনুব্রত মণ্ডলের। পড়াশোনা করেছেন ক্লাস এইট পর্যন্ত। অনুব্রত মণ্ডলের বাবার মুদির দোকান ছিল। অল্প বয়স থেকেই সেই দোকানে বসতেন অনুব্রত। তারপর বোলপুরের বাজারে নিজেই মাছের ব্যবসা শুরু করেন। এ তো গেল তাঁর পেশার দিকটা। 

আর রাজনীতিতে অনুব্রতর হাতেখড়ি কিশোর বয়সেই। প্রথমে কংগ্রেস করতেন। দলের একজন সাধারণ কর্মী ছিলেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কংগ্রেস করতেন। সেই সূত্রেই তাঁর সঙ্গে অনুব্রতর পরিচয়। আপনারা জানেন যে, ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেন। বলা যেতে পারে তখনই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় অনুব্রতর।  

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে অনুব্রতও দলত্যাগ করেন। আর তাঁকে বীরভূম জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি করা হয়। ২০০১ সাল অনুব্রতর জীবনের আর এক গুরুত্বপূর্ণ বছর। সেবছর নানুরের সূঁচপুরে ১১ জন চাষিকে হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। সেই সময় বীরভূম ছিল বামেদের শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু এই অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমে সিপিএম বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। সেই থেকে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও আস্থাভাজন হয়ে যান। 

Advertisement
অনুব্রত মণ্ডল

তখন বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেসের দায়িত্বে ছিলেন  সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি দল ছেড়ে দেন। সালটা ২০০৩। সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের জায়গায় সভাপতি হন অনুব্রত। তারপর থেকে সেই পদেই রয়েছেন তিনি। 

 

এরপর ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর থেকে অনুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে বীরভূম কার্যত তৃণমূলের গড়ে পরিণত হয়। একের পর এক ভোটে দলকে সাফল্য এনে দেন কেষ্ট মোড়ল। বিভিন্ন জেলার পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাঁকে। 

এই অনুব্রতর বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেক।  প্রকাশ্য সভা থেকে বিরোধীদের হুমকি দেওয়া, পুলিশকে হুমকি দেওয়া তো রয়েইছে। সঙ্গে এখন জুড়েছে কয়লা, গোরু পাচার কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ। সিবিআই তাঁকে  গোরু পাচারকাণ্ডের তদন্তে অসহযোগিতার জন্য গ্রেফতার করেছে। যা নিয়ে খুশি বিরোধীরা। 

অনুব্রত মণ্ডল

শোনা যায়, অনুব্রতর কথায় নাকি বাঘে গরুতে একঘাটে জল খায়।  বীরভূমে এতটাই দাপট তাঁর। এখন দেখার সেই দাপুটে অনুব্রত মণ্ডল গরুপাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে ২০ অগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আসানসোলের বিশেষ আদালত। 

Read more!
Advertisement
Advertisement