Advertisement

এবার BJP-তে যোগ দিলেন বঙ্কিমচন্দ্রের পরিবারের সদস্য, ভোটে দাঁড়াবেন?

বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনাকে যিনি সাহিত্যরসে দীপ্ত করেছিলেন, সেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় এ বার সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন।

বিজেপিতে যোগ দিলেন সুমিত চট্টোপাধ্যায়।-ফাইল ছবিবিজেপিতে যোগ দিলেন সুমিত চট্টোপাধ্যায়।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Feb 2026,
  • अपडेटेड 4:17 PM IST
  • বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনাকে যিনি সাহিত্যরসে দীপ্ত করেছিলেন, সেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় এ বার সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে।
  • বৃহস্পতিবার সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন।

বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনাকে যিনি সাহিত্যরসে দীপ্ত করেছিলেন, সেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় এ বার সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন। শ্রম দফতরের প্রাক্তন শীর্ষ আধিকারিক হিসেবে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে পারিবারিক ঐতিহ্যের এই সমন্বয়কে রাজনৈতিক মহল তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দেখছে।

কর্মসংস্থান নীতিতে সরব
রাজনীতিতে পা রাখার পরই রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন সুমিত্রবাবু। শ্রম দফতরে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি রাজ্য সরকারের ‘এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক’ নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, পুরনো ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’-এ নথিভুক্ত লক্ষ লক্ষ যুবকের তথ্য প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে মুছে দিয়ে নতুন কাঠামো গড়া হলেও বাস্তবে কর্মসংস্থানের উল্লেখযোগ্য সুরাহা হয়নি।

তাঁর কথায়, 'প্রায় ৪০ লক্ষ যুবক নাম নথিভুক্ত করলেও চাকরির নিশ্চয়তা মেলেনি। ‘যুবশ্রী’ প্রকল্প বন্ধ করে এখন ‘যুব সাথী’র নামে দৈনিক ৫০ টাকা ভাতা দেওয়া হচ্ছে, যা বেকার যুবকদের সঙ্গে কার্যত প্রহসন।' তাঁর এই মন্তব্যে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ছাপ স্পষ্ট। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রাক্তন উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকের এমন অভিযোগ নিছক রাজনৈতিক বক্তব্যের সীমা ছাড়িয়ে প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

‘বন্দে মাতরম’ ও সাংস্কৃতিক বার্তা
সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে দলে স্বাগত জানিয়ে ভূপেন্দ্র যাদব বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বন্দে মাতরম কেবল একটি গান নয়, এটি জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের প্রতীক। বঙ্কিমচন্দ্রের পরিবারের সদস্যকে দলে পেয়ে আমরা গর্বিত।'

বিজেপির তরফে এই বার্তায় স্পষ্ট, তারা কেবল রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগ ও ঐতিহ্যকেও সামনে আনতে চাইছে। ‘উন্নত বাংলা’ গঠনের লক্ষ্যে বঙ্কিমচন্দ্রের আদর্শকে পাথেয় করার কথাও তুলে ধরা হয়।

বদলে যাওয়া রাজনৈতিক সমীকরণ
শমীক ভট্টাচার্যের মতে, এই যোগদান রাজ্যে ‘ইতিবাচক পরিবর্তন’-এর ইঙ্গিত বহন করে। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের গেরুয়া শিবিরে যোগদান রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মুখকে সামনে এনে বিজেপি বোঝাতে চাইছে যে, তারা কেবল আবেগের রাজনীতি নয়, প্রশাসনিক বিকল্প হিসেবেও নিজেদের প্রস্তুত রাখছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement