Advertisement

Viral: রেলগেট নিয়ে বচসা, RPF এর বিরুদ্ধে BSF জওয়ানের নাক ফাটানোর অভিযোগ

RPF এর বিরুদ্ধে BSF জওয়ানকে মারধরের অভিযোগ। ঘটনাটি পুরুলিয়ার বরাভূম রেল স্টেশন চত্বরের। অভিযোগ, ছুটিতে বাড়ি আসা এক বিএসএফ জওয়ানকে প্রকাশ্য রাস্তায় মারধর করে আরপিএফ।

অভিযোগ, ছুটিতে বাড়ি আসা এক বিএসএফ জওয়ানকে প্রকাশ্য রাস্তায় মারধর করে আরপিএফ।অভিযোগ, ছুটিতে বাড়ি আসা এক বিএসএফ জওয়ানকে প্রকাশ্য রাস্তায় মারধর করে আরপিএফ।
স্বপন কুমার মুখার্জি
  • পুরুলিয়া,
  • 07 Feb 2026,
  • अपडेटेड 7:33 PM IST
  • RPF এর বিরুদ্ধে BSF জওয়ানকে মারধরের অভিযোগ।
  • ঘটনাটি পুরুলিয়ার বরাভূম রেল স্টেশন চত্বরের।
  • অভিযোগ, ছুটিতে বাড়ি আসা এক বিএসএফ জওয়ানকে প্রকাশ্য রাস্তায় মারধর করে আরপিএফ।

RPF এর বিরুদ্ধে BSF জওয়ানকে মারধরের অভিযোগ। ঘটনাটি পুরুলিয়ার বরাভূম রেল স্টেশন চত্বরের। অভিযোগ, ছুটিতে বাড়ি আসা এক বিএসএফ জওয়ানকে প্রকাশ্য রাস্তায় মারধর করে আরপিএফ। ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। 

শুক্রবার, দুপুর প্রায় বারোটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বরাভূম রেল স্টেশনের রেল ফটক সংলগ্ন এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাঙ্গাডি গ্রামের বাসিন্দা বিজয় কুমার ওই সময় রেল ফটকের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বিএসএফ-এর কর্মী। ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন।

অভিযোগ, রেল ফটকে দায়িত্বে থাকা এক আরপিএফ কর্মী সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করছিলেন। সেই আচরণের প্রতিবাদ করেন বিজয় কুমার। তিনি বলেন, একজন নিরাপত্তা কর্মীর কাছ থেকে এমন ভাষা গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রতিবাদের জেরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, প্রথমে বচসা শুরু হলেও পরে তা মারধরে গড়ায়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই আরপিএফ কর্মী এবং তাঁর সঙ্গে থাকা আরও এক সদস্য মিলে বিজয় কুমারের উপর চড়াও হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, রাস্তায় ফেলে তাঁকে ঘুষি, লাথি ও চড় মারা হয়। মারধরের ফলে তাঁর মুখ ফেটে যায় এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পরিবারের সদস্যরা। বিজয়ের বাবা মানিক কুমার বলেন, 'আমার ছেলে দেশের জন্য সীমান্তে পাহারা দেয়। ছুটিতে বাড়ি এসে যদি এভাবে মার খেতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?'

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, দীর্ঘ সময় রেল ফটক বন্ধ থাকা এবং এমার্জেন্সি গেট নিয়ে উত্তেজনা থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। যদিও পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হবে, তা কেউ ভাবেননি।

ঘটনার খবর পেয়ে বলরামপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত বিজয় কুমারকে বাঁশগড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর মুখ ও নাকে আঘাত লেগেছে, তবে তিনি স্থিতিশীল।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত আরপিএফ-এর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের দাবি, দোষ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রিপোর্টারঃ সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Read more!
Advertisement
Advertisement