Advertisement

Burdwan Katwa: কাটোয়ায় একই গ্রামে ১১০০ জনকে হিয়ারিং নোটিশ, সকলেই সংখ্যালঘু

রাজ্যে চলছে SIR-এর শুনানি। একই গ্রাম থেকে ১,১০০ জনকে ডাক SIR-এর হিয়ারিংয়ে। প্রতিবাদে তিন ঘণ্টা পথ অবরোধ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল কাটোয়া–বর্ধমান রাজ্য সড়কে।

পূর্ব বর্ধমানের গ্রামের ১১০০ জন সংখ্যালঘুকে SIR নোটিসপূর্ব বর্ধমানের গ্রামের ১১০০ জন সংখ্যালঘুকে SIR নোটিস
প্রীতম ব্যানার্জী
  • কাটোয়া,
  • 13 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:38 PM IST

রাজ্যে চলছে SIR-এর শুনানি। একই গ্রাম থেকে ১,১০০ জনকে ডাক SIR-এর হিয়ারিংয়ে। প্রতিবাদে তিন ঘণ্টা পথ অবরোধ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল কাটোয়া–বর্ধমান রাজ্য সড়কে।

SIR-এর হিয়ারিং পর্বে একই গ্রাম থেকে একসঙ্গে ১১০০ জনকে নোটিস পাঠানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার অন্তর্গত গাঙ্গুলিডাঙা এলাকায়। ঘটনার প্রতিবাদে সকাল ১০টা নাগাদ কাটোয়া–বর্ধমান রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা। টানা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই পথ অবরোধে কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সৃষ্টি হয় ব্যাপক যানজট।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত গাঙ্গুলিডাঙা গ্রামের মোট জনসংখ্যা প্রায় ২০০০। তার মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ১,১০০ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে SIR হিয়ারিংয়ে ডাক পাঠানো হয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং হয়রানিমূলক। অবরোধকারীদের আরও অভিযোগ, যাঁদের হিয়ারিংয়ের ডাক পাঠানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ভিন রাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক। হঠাৎ করে অল্প সময়ের নোটিশে কাজ ছেড়ে হিয়ারিংয়ে হাজির হওয়া তাঁদের পক্ষে কার্যত অসম্ভব। তাই হিয়ারিংয়ের জন্য আরও কিছুদিন সময় বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কাটোয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধকারীদের বোঝানোর চেষ্টা চালানো হলেও বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না SDO অথবা BDO এসে তাঁদের আশ্বস্ত করছেন, ততক্ষণ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না।

তবে প্রশাসনিক সূত্রে খবর, যাদের হিয়ারিংয়ের ডাক পাঠানো হয়েছে, তাঁদের বেশিরভাগের নামের বানানে ভুল রয়েছে অথবা ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকার কারণেই এই SIR হিয়ারিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা গাঙ্গুলিডাঙা এলাকাজুড়ে ছড়ায় চরম উত্তেজনা। এক্ষেত্রে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন তাকিয়ে এলাকাবাসী।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement