Advertisement

Cyclone Ditwah: রবিবার সকালেই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া, বাংলায় কতটা প্রভাব পড়বে জানুন

আইএমডি ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে, বিচ্ছিন্ন এলাকায় ২০ সেন্টিমিটারের বেশি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

রবিবার সকালেই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া, বাংলায় কতটা প্রভাব পড়বে জানুনরবিবার সকালেই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া, বাংলায় কতটা প্রভাব পড়বে জানুন
Aajtak Bangla
  • নতুন দিল্লি,
  • 29 Nov 2025,
  • अपडेटेड 6:56 AM IST
  • দিতওয়া তাণ্ডব চালিয়েছে শ্রীলঙ্কাতেও
  • এখনও পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে

আগামী এক সপ্তাহ রাজ্যের কোথাও কোনও আবহাওয়ার সতর্কবার্তা নেই। সব্রত্র প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। আগামী ৪ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অর্থাৎ রাতের তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তন হবে না। যেমন থাকছে তেমনই থাকবে। এরপরে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।  আগামী কয়েকদিন কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে।

পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ আরও কম থাকবে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১২ ডিগ্রিতে। অর্থাৎ শীত আরও কিছুটা জাঁকিয়ে বসবে। রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতন, কল্যানী ও দার্জলিঙের পাহাড়ি এলাকায়। পুরুলিয়ায় পারদ নেমেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিঙের পাহাড়ি এলাকায় তাপমাত্রা ৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুরদুয়ার ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিছু জেলায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। । উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। বেলা বাড়লে যদিও কুয়াশা কেটে যাবে।

এদিকে, শ্রীলঙ্কার উপকূলীয় এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া তীব্র আকার নিয়েছে। যার কারণে মৌসম ভবন অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ৩০ নভেম্বর ভোরের দিকে উত্তর তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। সকালে দিতওয়া উপকূলে আছড়ে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আইএমডি ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে, বিচ্ছিন্ন এলাকায় ২০ সেন্টিমিটারের বেশি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ৩০ নভেম্বর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রায়লসীমায়ও অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ২৯ নভেম্বর সকাল থেকে উত্তর তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি উপকূল জুড়ে ৭০-৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। এই ঝোড়ো বাতাস ৩০ নভেম্বর সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। সমুদ্রের পাড়ে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। চেঙ্গালপাট্টু এবং তিরুভাল্লুরের মতো জেলাগুলি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন

তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমস্ত মাছ ধরা স্থগিত করা হয়েছে। বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে জেলেদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দিতওয়া তাণ্ডব চালিয়েছে শ্রীলঙ্কাতেও। এখনও পর্যন্ত ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ নিখোঁজ ও ঘরছাড়া। ঝড় ও প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় ট্রেন পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়।

Read more!
Advertisement
Advertisement