Advertisement

Anandapur fire: আনন্দপুরে ৫০ বাঙালি শ্রমিক মারা গিয়েছেন, বিস্ফোরক দাবি 'বাংলা পক্ষ'র; আসরে BJP

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। ‘বাংলা পক্ষ’-এর অভিযোগ, ওই আগুনে পুড়ে প্রায় ৫০ জন বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং তাঁদের পোড়া দেহাংশ সংশ্লিষ্ট একটি খাদ্য সংস্থার গুদামে পাওয়া গেছে। এই অভিযোগকে সামনে রেখে বুধবার ওয়াও মোমোর মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।

আনন্দপুরের ঘটনাস্থল।-ফাইল ছবিআনন্দপুরের ঘটনাস্থল।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:28 PM IST
  • আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
  • ‘বাংলা পক্ষ’-এর অভিযোগ, ওই আগুনে পুড়ে প্রায় ৫০ জন বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং তাঁদের পোড়া দেহাংশ সংশ্লিষ্ট একটি খাদ্য সংস্থার গুদামে পাওয়া গেছে।

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। ‘বাংলা পক্ষ’-এর অভিযোগ, ওই আগুনে পুড়ে প্রায় ৫০ জন বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এবং তাঁদের পোড়া দেহাংশ সংশ্লিষ্ট একটি খাদ্য সংস্থার গুদামে পাওয়া গেছে। এই অভিযোগকে সামনে রেখে বুধবার ওয়াও মোমোর মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।

এই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। দলের আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য এক্স (আগের টুইটার)-এ লেখেন, তৃণমূল-সমর্থিত ‘বাংলা পক্ষ’ সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছে যে আনন্দপুরের ভয়াবহ আগুনে প্রায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত অন্য রাজ্যের রাজনৈতিক ঘটনা নিয়ে মন্তব্য না করে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির ন্যায়বিচার ও দ্রুত ত্রাণ নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দেওয়া।

অমিত মালব্য আরও দাবি করেন, রাজ্য সরকারের অতীত প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে এই মর্মান্তিক ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। তাঁর মতে, সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে শ্রেয়। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু প্রায় ৩২ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন, যা চরম অবহেলার পরিচয় বলে দাবি বিজেপির।
তিনি বলেন, 'বাংলার মানুষ বিভ্রান্তি বা ভুল তথ্য নয়, তারা চায় স্পষ্ট উত্তর, জবাবদিহিতা এবং মানবিক সহানুভূতি।'

অন্যদিকে, ‘বাংলা পক্ষ’র তরফে কৌশিক মাইতি বলেন, 'আমরা জানতে পেরেছি প্রায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ ওয়াও মোমোর সদর দফতরে বিক্ষোভ দেখানো হবে।'

উল্লেখ্য, রবিবার ভোররাত প্রায় ৩টা নাগাদ আনন্দপুরের জোড়া গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। দমকলের অন্তত ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও দেড় দিনেরও বেশি সময় ধরে গুদামগুলিতে ধিকিধিকি করে আগুন জ্বলতে থাকে। আগুনে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায় গুদাম দুটি।

ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষের খোঁজে তল্লাশি চালায় দমকল ও পুলিশ। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভস্মীভূত গুদাম থেকে একাধিক দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে সেগুলি কার, তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দেহাংশগুলির পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ইতিমধ্যেই একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement