Advertisement

কয়লা পাচার মামলায় বড় অ্যাকশন ED-র, লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির সম্পদ বাজেয়াপ্ত

কয়লা পাচার মামলায় বড় আপডেট। ভোটমুখী বাংলায় ফের সামনে এল কয়লা পাচার মামলা। এবার এই মামলার তদন্তে নেমে আরও ১০০.৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।

কয়লা পাচার মামলায় ১০০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকয়লা পাচার মামলায় ১০০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Feb 2026,
  • अपडेटेड 9:16 AM IST
  • ভোটমুখী বাংলায় ফের সামনে এল কয়লা পাচার মামলা।
  • তদন্তে নেমে আরও ১০০.৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।
  • কয়লা পাচার কাণ্ডে মোট বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হল ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।

কয়লা পাচার মামলায় বড় আপডেট। ভোটমুখী বাংলায় ফের সামনে এল কয়লা পাচার মামলা। এবার এই মামলার তদন্তে নেমে আরও ১০০.৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ২০০২ সালের মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর আওতায় এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার সিন্ডিকেটের এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ফলে, কয়লা পাচার কাণ্ডে মোট বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হল ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। 

তদন্তে উঠে এসেছে, লালার নেতৃত্বে সিন্ডিকেটের হাত ধরে এই অবৈধ খনন ও কয়লা চুরি চলত। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হাত ছিল বলেও অভিযোগ। অবৈধ ভাবে কয়লা তোলার পর তা রাজ্যের বিভিন্ন কারখানায় ছড়িয়ে দেওয়া হত। এছাড়াও তদন্তে জানা গিয়েছে,  অনুপ মাজি ওরফে লালা একটি অবৈধ ট্রান্সপোর্ট চালান বা প্যাড চালু করেছিল, এই অবৈধ ট্রান্সপোর্ট চালান পরবর্তীতে 'লালা প্যাড' নামে বেশি পরিচিত হয়ে ওঠে।  

ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কয়লা পাচারের টাকা দু’টি বেনামী সংস্থার জমি, মিউচুয়াল ফান্ডে বেনামে সরানো হয়েছিল। ভুয়ো চালানে ১০ বা ২০ টাকার নোট আটকে তার ছবি ব্যবহার করে চলত চক্র। এই সামান্য় চালান দিয়েই তৈরি হয়েছিল শতকোটির সম্পত্তি। 

অন্যদিকে, এখন পর্যন্ত যত পরিমাণ টাকা বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাকে এই কয়লা চুরি দুর্নীতির হিমশৈল বলা যেতে পারে। কারণ, তদন্তে নেমে সংস্থা যে যে দলিল-দস্তাবেজ ও নথি উদ্ধার করেছে তা থেকে অনুমান করা হচ্ছে প্রায়  ২৭৪২ কোটি টাকার বিরাট দুর্নীতি হয়েছে। তদন্তে দাবি, একটি ভূগর্ভস্থ হাওলা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে নগদ লেনদেনের প্রক্রিয়া চলত। 

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই। রাজ্যে রেলের বিভিন্ন সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রথমে আয়কর দফতর, পরে সিবিআই তদন্তে নামে। সেই সূত্র ধরেই প্রকাশ্যে আসে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং তাঁর সিন্ডিকেটের কথা। গতবছর এই কয়লা পাচার-কাণ্ডে আরও একটি মামলা দায়ের করে ইডি। এবার বিধানসভা ভোটের আগে সেই মামলা নিয়েই আবার নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement