Advertisement

West Bengal Weather: ২ জেলায় লু বইতে পারে, বড় পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস, ঝড়-বৃষ্টি ফের কবে?

এপ্রিলের শুরুতেই গরমের তীব্রতায় নাজেহাল কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গ। ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, যেন মে-জুনের দাবদাহ আগেভাগেই এসে পড়েছে। মাসের প্রথম থেকেই রোদের তেজ ক্রমশ বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Apr 2026,
  • अपडेटेड 5:28 PM IST
  • এপ্রিলের শুরুতেই গরমের তীব্রতায় নাজেহাল কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গ।
  • ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, যেন মে-জুনের দাবদাহ আগেভাগেই এসে পড়েছে।

এপ্রিলের শুরুতেই গরমের তীব্রতায় নাজেহাল কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গ। ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, যেন মে-জুনের দাবদাহ আগেভাগেই এসে পড়েছে। মাসের প্রথম থেকেই রোদের তেজ ক্রমশ বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে ২ থেকে ৬ এপ্রিলের মধ্যে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে। এর সঙ্গে তপ্ত ও শুষ্ক ‘লু’-এর দাপট পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে ২ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তীব্র গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এই সময় মূলত পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক গরম হাওয়া বইবে, যার ফলে অস্বস্তি বাড়বে বহুগুণ।

তবে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে ৫ এপ্রিলের পর। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ওই সময় থেকে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প প্রবেশ এবং অনুকূল বায়ুপ্রবাহের কারণে একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর প্রবণতা বাড়তে পারে। বজ্রঝড় ও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় গরম কিছুটা কমতে পারে।

তাপমাত্রার ক্ষেত্রেও ওঠানামার ইঙ্গিত রয়েছে। আগামী তিন দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং তা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি থাকতে পারে।

আর্দ্রতার মাত্রাও থাকবে উচ্চস্তরে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ জেলাগুলিতে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সর্বনিম্ন আর্দ্রতা থাকতে পারে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে।

তবে ৫ এপ্রিলের পরবর্তী চার দিনে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে প্রবল গরমের পর কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, প্রথমে দহনজ্বালা ও ভ্যাপসা অস্বস্তি, তার পর বজ্রঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, এই আবহাওয়ার পালাবদলের জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহবিদরা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement