Advertisement

Jamaat e Islami: বাংলাদেশের পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তের সিটগুলিতে জামাত প্রার্থীদের দাপট, ৬ জেলায় হাই অ্যালার্ট

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সীমান্ত লাগোয়া একাধিক জেলায় কট্টরপন্থী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র উল্লেখযোগ্য সাফল্য গোয়েন্দা মহলে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।

গ্রাফিক্স: সৌমিক মজুমদারগ্রাফিক্স: সৌমিক মজুমদার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Feb 2026,
  • अपडेटेड 1:35 PM IST
  • বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
  • সীমান্ত লাগোয়া একাধিক জেলায় কট্টরপন্থী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র উল্লেখযোগ্য সাফল্য গোয়েন্দা মহলে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সীমান্ত লাগোয়া একাধিক জেলায় কট্টরপন্থী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র উল্লেখযোগ্য সাফল্য গোয়েন্দা মহলে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।

নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে জামায়াত এককভাবে ৬৮টি আসন জিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন রংপুর, সাতক্ষীরা, যশোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও খুলনায় তাদের প্রভাব স্পষ্ট। কোথাও সব আসন, কোথাও অধিকাংশ আসন দখল করেছে তারা। এই ফলাফল সীমান্তের ওপার থেকে এপার বাংলায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের গোয়েন্দা কর্তারা।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকায় মৌলবাদী শক্তির প্রভাব বাড়লে জঙ্গি সংগঠনগুলিও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ ও বসিরহাট, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন অঞ্চল, মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান-লালবাগ-বেলডাঙা, মালদহের বৈষ্ণবনগর-মেহেদিপুর, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের মতো এলাকায় বাড়তি সতর্কতা জারি হয়েছে। বিস্তীর্ণ নদী ও স্থলসীমান্ত থাকায় অনুপ্রবেশের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না নিরাপত্তা কর্তারা।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে আগে থেকেই সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় একাধিক জঙ্গি শিবিরের সক্রিয়তার তথ্য রয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে জামাতের কিছু নেতার ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও অতীতে সামনে এসেছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ‘স্লিপার সেল’ সক্রিয় থাকার তথ্য রয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।

অতীতে গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশের জেএমবি ও এবিটি জঙ্গিরা জেরায় জানিয়েছিল, সাতক্ষীরা, যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়েই ভারতে প্রবেশ করেছিল তারা। এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবার দফায় দফায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। কোথায় নিরাপত্তার ফাঁক রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তল্লাশি ও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সন্দেহভাজন সংগঠনের গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকেও অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, জামাতের এই উত্থানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিস্থিতির সঙ্গে বিহারের ‘সীমাঞ্চল’-এর তুলনা টেনে সরব হয়েছে বিজেপি। তাদের দাবি, সীমান্ত অঞ্চলে মৌলবাদী শক্তির উত্থান ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

Advertisement

তবে এই উত্থান নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লিগের দমনমূলক শাসন ও বিরোধী দলগুলিকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দেওয়ার ফলেই জামাতের এই সাফল্য এসেছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement