
পুরোপুরি মুসলিম ভোট জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের ওপর আস্থা রাখবে। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী যদি বুথের ভিতরে ঠিক মত থাকে, তাহলে মুসলিম মানুষজন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে যাঁরা যাঁরা প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াবেন ১০০টা মুসলিমের মধ্যে ৮০টা মুসলিম সরাসরি জনতা উন্নয়ন পার্টির পক্ষে ভোট দেবেন। আর ১০ পার্সেন্ট হিন্দু ভাইরাও ন্যায় প্রতিষ্ঠার স্বার্থে জনতা উন্নয়ন পার্টিকে ভোট দেবে। হুমায়ুন কবীরের পক্ষে মুসলমান ভোট কতটা হাতে রয়েছে, তিনি কীভাবে মুসলিমদের ভোটে জিতবেন সেই স্ট্রাটেজি সরাসরি আজতক বাংলাকে জানালেন।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে বাংলার মানুষ কাদের পক্ষে ভোট দেবেন সে বিষয়ে আজতক বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে উপস্থিত ছিলেন বাবরি মসজিদের পৃষ্ঠপোষক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে সরাসরি বলেন, "তাঁর দলের ধস নামার কোনও প্রশ্নই নেই। পুরোপুরি মুসলিম ভোট জমতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের ওপর আস্থা রাখবে। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী যদি বুথের ভিতরে ঠিক মত থাকে, তাহলে মুসলিম মানুষজন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে যাঁরা যাঁরা প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াবেন ১০০টা মুসলিমের মধ্যে আশিটা মুসলমান সরাসরি জনতা উন্নয়ন পার্টির পক্ষে ভোট দেবেন। আর ১০ পার্সেন্ট হিন্দু ভাইরাও ন্যায় প্রতিষ্ঠার স্বার্থে জনতা উন্নয়ন পার্টিকে ভোট দেবে। যাঁদের চাকরি চলে গেছে তাঁরাও আগামীদিনে বিগেডের ময়দানে কোথায় থাকে দেখবেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ফের একবার ২৫০ আসন পেয়ে চতুর্থ বারের জন্য তৃণমূল যে ক্ষমতায় আসতে চলেছে, এই প্রশ্নের উত্তরে হুমায়ুন কবীর জানান- "দিবাস্বপ্ন দেখতে মানা করুন। তৃণমূল যদি কংগ্রেসের সঙ্গেও জোট করে তাতেও পারবে না। আগে একশো পার করে দেখাক তারপর ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখবে। সেই সঙ্গে ফুরফুরা শরীফে তিনি কোন উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন সে বিষয়েও জানান।"
তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রসঙ্গে বলেন- তাঁর দল ক্ষমতায় এলে বাংলার সমস্ত ধর্মের মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও, ঘরের জন্য ২ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।