Advertisement

Thunderstorm Kolkata West Bengal: রাতের ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপল কলকাতা, ভাঙল হোর্ডিং; দফায় দফায় বর্ষণ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গেও

Thunderstorm Kolkata West Bengal: সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই কলকাতার আকাশে ঘন কালো মেঘের আনাগোনা শুরু হয়, আর তার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল হাড়কাঁপানো ঝোড়ো হাওয়া এবং মুহুর্মুহু বজ্রপাত। ঝড়ের দাপটে মহানগরের একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে বিপত্তি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও

রাতের ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপল কলকাতা, ভাঙল হোর্ডিং; দফায় দফায় বর্ষণ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গেওরাতের ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপল কলকাতা, ভাঙল হোর্ডিং; দফায় দফায় বর্ষণ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গেও
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:56 PM IST

চৈত্র মাস পড়তেই স্বমহিমায় হাজির কালবৈশাখী। সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই কলকাতার আকাশে ঘন কালো মেঘের আনাগোনা শুরু হয়, আর তার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল হাড়কাঁপানো ঝোড়ো হাওয়া এবং মুহুর্মুহু বজ্রপাত। ঝড়ের দাপটে মহানগরের একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে বিপত্তি তৈরি হয়েছে।

এমনকী শহরের কিছু আবাসনের ভেতরে থাকা বাতিস্তম্ভ পর্যন্ত উপড়ে গিয়েছে। অফিসফেরত যাত্রীরা এই অকাল দুর্যোগে চরম নাজেহাল হন। রাস্তায় বাস বা ট্যাক্সির আকাল দেখা দেয়, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও মিলছে না অনলাইন ক্যাব। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় জারি করা হয়েছে ‘লাল সতর্কতা’।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার রাতে কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ঝড়ের দাপট বেশি থাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার জন্যও জারি হয়েছে ‘কমলা সতর্কতা’, সেখানে বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি। আলিপুরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে এই ঝড়-বৃষ্টির ধারা বজায় থাকবে। মঙ্গলবার সাময়িকভাবে হাওয়ার বেগ কিছুটা কমলেও শনি ও রবিবার ফের কলকাতায় বড় দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলির পরিস্থিতিও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমেও ঝড়ের আশঙ্কায় ‘কমলা সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। চৈত্র সংক্রান্তি ও পয়লা বৈশাখের আগে প্রকৃতির এই রুদ্ররূপ বিক্রেতাদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণও বেশ চড়া। সব মিলিয়ে চৈত্রের এই দহনবেলায় কালবৈশাখীর প্রবেশ যেমন স্বস্তি দিচ্ছে, তেমনই ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি ও যাতায়াতের দুর্ভোগ দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে আমজনতার।

এদিন শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাতেও ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। একাধিক জায়গায় গাছ পড়ে যাওয়ার খবর মিলেছে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ বিভ্রাটও ছিল। বিদ্যুতের তার ছিড়ে অনেক জায়গায় এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement