
Suvendu Adhikari: 'ওড়িশায় মহিলাদের বছরে এক বার এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।'
'দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে দিচ্ছেন।'
'হরিয়ানায় বিজেপি সরকার মাসে ২১০০ টাকা দেয়।'
'মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সরকার দিচ্ছে ২০০০ টাকা।'
একের পর এক পরিসংখ্যান দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নদিয়ার চাকদহের সভা থেকে 'লক্ষ্মীর ভান্ডার' নিয়েই ফের আশ্বাস দিলেন বিরোধী দলনেতা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতায় এলে যে বিজেপি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করবে না, বরং বাড়িয়ে দেবে, সেই ইঙ্গিতই দেওয়ার চেষ্টা করছেন শুভেন্দু।
বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসছে। ফের রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে 'লক্ষ্মীর ভান্ডার'।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ বন্ধ হয়ে যাবে, এই বার্তাই দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তার ঠিক উল্টোটাই বোঝাতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি।
বিজেপির তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ক্ষমতায় এলে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ বন্ধ নয়, বরং এই প্রকল্পে আরও বেশি টাকা দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, সেই সম্ভাব্য অঙ্ক কত হতে পারে, তারও ইঙ্গিত দিচ্ছেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যে বার বার উঠে আসছে সেই প্রসঙ্গ। বিজেপি ক্ষমতায় এলে 'লক্ষ্মীর ভান্ডার' যে বন্ধ হবে না, সেই বার্তাই রাজ্যের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, এর আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বার্তা দিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত মাসে বঙ্গ সফরে এসে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলেও বর্তমান সরকারের চালু করা কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না। অমিত শাহ বলেন, 'ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরি হওয়ার পরেও এখনকার সরকার যে সমস্ত প্রকল্প চালাচ্ছে, তার মধ্যে একটা স্কিমও বন্ধ হবে না। আর আমাদের ইস্তেহারে যে সমস্ত প্রকল্পের কথা বলা হবে, সেগুলি বাস্তবায়িত হবে।'
সব মিলিয়ে, 'লক্ষ্মীর ভান্ডার' যে ছাব্বিশের নির্বাচনেও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে চলেছে, তা বেশ স্পষ্ট। ভোটবাক্সে এর প্রভাব কি পড়বে? তার উত্তর সময়ই দেবে।