Advertisement

চলতি সপ্তাহেই ৩৭ ডিগ্রিতে উঠবে তাপমাত্রা, রাজ্যজুড়ে অসহ্য গরমের পূর্বাভাস

West Bengal Weather: সপ্তাহের শেষে, বিশেষ করে শনিবার নাগাদ কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:52 PM IST
  • বৃষ্টির জেরে কয়েকদিন স্বস্তিতে কাটালেও এবার ফের গরমের দাপট বাড়ার ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর।
  • টানা ঝড়-বৃষ্টির পর্ব শেষের পথে, আর তার জায়গা নিতে চলেছে উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া, এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

বৃষ্টির জেরে কয়েকদিন স্বস্তিতে কাটালেও এবার ফের গরমের দাপট বাড়ার ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। টানা ঝড়-বৃষ্টির পর্ব শেষের পথে, আর তার জায়গা নিতে চলেছে উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া, এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

মঙ্গলবারের আবহাওয়া দেখে যেন বোঝাই যাচ্ছিল না যে গ্রীষ্মের শুরু হয়ে গেছে। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া দফায় দফায় বৃষ্টি মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চলেছে। বৃষ্টির আগে ও চলাকালীন সময়ে ঝোড়ো হাওয়ার দাপটে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে আসে, ফলে আবহাওয়া হয়ে ওঠে মনোরম।

তবে এই স্বস্তি বেশি দিন স্থায়ী হবে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার বিকেলের পর থেকেই বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যাবে। ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হবে এবং তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করবে। সপ্তাহের শেষে, বিশেষ করে শনিবার নাগাদ কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৬ ডিগ্রি কম। সোমবারের তাপমাত্রা ছিল ৩২.৫ ডিগ্রি, সেটিও স্বাভাবিকের নীচেই ছিল। তবে উচ্চ আর্দ্রতার কারণে মাঝেমধ্যে অস্বস্তিও অনুভূত হয়েছে শহরবাসীর।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে মঙ্গলবার একই সময় পর্যন্ত প্রায় ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়, বিশেষ করে পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে বজ্রঝড়ের খবর পাওয়া গেছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে সরে যাওয়া বজ্রগর্ভ মেঘের এই দফাই আপাতত শেষ। বুধবারের মধ্যে এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়বে। এর ফলে ২ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যের বেশিরভাগ জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে।

এই বৃষ্টির পেছনে ছিল একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা, যা পূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে বিহার হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প প্রবাহিত হয়ে বৃষ্টি ও ঝড়ের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছিল। তবে এই সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও কমে আসছে।

Advertisement

সব মিলিয়ে, কয়েকদিনের স্বস্তির পর আবারও গরমের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে, তাই প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement