Advertisement

অবশেষে সিনেমা হল-থিয়েটারে ১০০ শতাংশ আসনেই দর্শক, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

রাজ্যের সিনেমা নাট্যপ্রেমীদের জন্য সুসংবাদ। এখন থেকে ১০০ শতাংশ আসনই খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে খুশি সিনেমা হল মালিকেরা।

রাজ্যের সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুসংবাদ। একশো শতাংশ আসনে আসনে দর্শক ঢোকার অনুমতি দেওয়া হল (প্রতীকি ছবি)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Feb 2021,
  • अपडेटेड 11:22 PM IST
  • রাজ্যের সিনেমা নাট্যপ্রেমীদের জন্য সুসংবাদ
  • এখন থেকে ১০০ শতাংশ আসনই খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার
  • সোমবার এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে

রাজ্যের সিনেমা নাট্যপ্রেমীদের জন্য সুসংবাদ। এখন থেকে ১০০ শতাংশ আসনই খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে খুশি সিনেমা হল মালিকেরা।

কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা করেছিলেন। এদিন তার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ইতিমধ্যে তামিলনাড়ু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেখানকার সিনেমা হলের সব আসনেই দর্শকদের বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এতদিন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ আসনে দর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হত। তবে রাজ্য সরকার তা ১০০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে খুশি সিনেমাপ্রেমী, চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীরা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, মহামারীর কারণে এখনও পর্যন্ত সিনেমা হলে ৫০ দর্শককে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হত। তবে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলব সেটা ১০০ শতাংশ করে দেওয়ার জন্য।

দেশে লকডাউনের সময় আরও অনেক কিছুর মতো বন্ধ ছিল সিনেমা হলও। মোটামুটি ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে সেগুলি বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে অক্টোবরে তা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন সব আসনে দর্শক ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। ৫০ শতাংশ আসনে দর্শক বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যাতে করোনা বিধি মেনে চলা হয়। সকলকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জোর দেওয়া হয়েছিল অনলাইন টিকিট কাটার ওপর। তবে এবার ৫০ শতাংশের বদলে ১০০ শতাংশ আসনে দর্শক ঢোকার অনুমতি দেওয়া হল।

এই সিদ্ধান্ত খুশি সিনেমা হলের মালিক থেকে কর্মীরা। কারণ দীর্ঘদিন তাঁরা এই দাবি জানিয়ে আসছিলেন। লকডাউনের কারণে তাঁদের ব্যবসা প্রবল মার খেয়েছিল। তাঁদের আয় নেমেছিল এসেছিল শূন্যে। তবে এখন পরিস্থিতি বদল হতে পারে। ব্যবসা ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এবার তার কিছুটা ক্ষতিপূরণ করা যাবে বলে আশা করছেন তারা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement

RECOMMENDED

Advertisement