Advertisement

Nadia: নদিয়ায় ৬০-৭০টি প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ, এলাকায় তোলপাড়, পুলিশি তদন্ত

মাত্র কয়েক মাস আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে কালীমূর্তি ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে ব্যাপক তোলপাড় পড়ে যায়। ঘটনায়  রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে ওঠে। এবার ফের উঠল মূর্তি ভাঙার অভিযোগ। রাতের অন্ধকারে একাধিক মূর্তি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে।

জয়ন্ত দাস-অভিযুক্ত অমিত দাসজয়ন্ত দাস-অভিযুক্ত অমিত দাস
প্রীতম ব্যানার্জী
  • নদিয়া,
  • 06 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:00 PM IST

মাত্র কয়েক মাস আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে কালীমূর্তি ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে ব্যাপক তোলপাড় পড়ে যায়। ঘটনায়  রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে ওঠে। এবার ফের উঠল মূর্তি ভাঙার অভিযোগ। রাতের অন্ধকারে একাধিক মূর্তি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে।

শান্তিপুরের আগমেশ্বরী স্টেটের বাসিন্দা জয়ন্ত দাস। পেশায় তিনি মৃৎশিল্পী। শান্তিপুর সর্ব নন্দীপাড়ায় প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি প্রতিমা তৈরি করেন। অভিযোগ, তাঁর তৈরি প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি প্রতিমা ভেঙে ফেলেছে দুষ্কৃতীরা। সেগুলির মধ্য বেশিরভাগ ছিল সরস্বতী এবং কালীমূর্তি। সবগুলিই মাটিতে ফেলে ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। সকলেই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

এই বিষয়ে ওই মৃৎশিল্পীর অভিযোগ, ঠাকুর বানানোর সময় অমিত দাস নামে এলাকারই এক ব্যক্তি এসে হুমকি দিয়ে যায়। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায়, অমিত দে এবং তার ভাই অসিত দে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শান্তিপুর থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছেন জয়ন্ত দাসের পরিবারে সদস্য-সদস্যা ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement