
যুদ্ধের জেরে তৈরি হওয়া জ্বালানি সঙ্কটের আঁচ এসে পড়ল নৈহাটির বড়মার মন্দিরেও। ভক্তদের জন্য প্রস্তুত হওয়া ভোগ প্রসাদে কোপ পড়তে পারে সেখানে? কতটা LPG সিলিন্ডারের স্টক মজুত রয়েছে? খোঁজ নিল bangla.aajtak.in.
বন্ধ হয়ে যাবে বড়মার ভোগ বিতরণ?
সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, 'LPG সঙ্কটের প্রভাব শুরু হয়েছে। কাল পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। আজ বাণিজ্যিক গ্যাসের জন্য খোঁজ নিতে জানা গেল পাওয়া যাবে না। আমার কাছে যা স্টক রয়েছে তাতে শুক্র এবং আগামী সোমবারের ভোগপ্রসাদের বন্দোবস্ত করতে পারব। যদি গ্যাস না পাই তাহলে সোমবারের পর থেকে বন্ধ করে দিতে হবে ভোগ বিতরণ।' সোম, বুধ এবং শুক্র ৭০০ থেকে ৮০০ জন ভক্ত বড়মার মন্দিরে প্রসাদ পান। শনি এবং মঙ্গলবার বাইরেও অত সংখ্যক ভক্তই ভোগ নিয়ে যান বলে জানান তাপস ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, 'মাকে তো ভোগ দিতেই হবে। ভোগের খিচুড়িতে আমি কাটছাঁট করব কীভাবে? উনুন বা ইন্ডাকশনে এত বড় ভোগের বাসন বসানো যাবে না। সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে মায়ের ভোগটুকু করে ভক্তদের বিতরণ বন্ধ করে দিতে হবে।'
ভোগ কখন পাওয়া যায়?
স্থায়ী মন্দির নির্মাণ হওয়ার পর থেকে নৈহাটির বড়মার পুজো দিতে প্রতিদিনই অগুন্তি ভক্তের ভিড় দেখা যায়। দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা ভক্তরা বড়মায়ের প্রসাদ নিতেও লম্বা লাইনে দাঁড়ান। বড়মার মন্দিরে এসি ঘরে ভোগ খাওয়ানোর বন্দোবস্ত রয়েছে সকলের জন্য। সকাল ১০টা থেকে ভোগের কুপন দেওয়া শুরু হয়। ভোগ বিতরণ শুরু হয় দুপুর ১টা থেকে। সোম, বুধ, শুক্র, এই ৩ দিন বসে ভোগ খাওয়ার বন্দোবস্ত রয়েছে। তবে ভোগের কুপন সংগ্রহ করার জন্য কোনও মূল্য প্রয়োজন হয় না।
কী কী থাকে বড়মার ভোগে?
পোলাও, আলুর দম বা আলু ফুলকপির তরকারি দেওয়া হয় ভোগ প্রসাদে। শেষ পাতে থাকে চাটনি, পাঁপড়, রসোগোল্লা ও পায়েস।