
Narendra Modi Singur rally: রবিবার সিঙ্গুরের বিজেপি সভায় ফের অনুপ্রবেশকারী ইস্যু তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে ধর্না দেওয়া হয়, কারণ ওরাই তৃণমূলের বাঁধাধরা ভোটব্যাঙ্ক।' PM মোদী বলেন, গত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার বারবার রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছে। সীমান্তে ফেন্সিংয়ের জন্য জমি চাওয়া হলেও তাতে কোনও সাড়া মেলেনি। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের এ বিষয়ে কোনও আগ্রহ নেই। বরং অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে এবং ভুয়ো নথি তৈরির চক্রকেও আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। মোদী বলেন, 'আমাদের এই অনুপ্রবেশকারীদের ধরতেই হবে। কাগজপত্র যাচাই করে তাঁদের নিজের দেশে ফেরত পাঠাতে হবে।'
তিনি বলেন, 'তৃণমূল সরকার শুধু পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা নয়, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তাকেও বিঘ্নিত করছে। এর জেরে রাজ্যের নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মুখে।' প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অনুপ্রবেশকারীদের এখানে সবরকম সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।'
এর আগের দিন, শনিবার মালদায় 'পরিবর্তন সংকল্প সভা'র মঞ্চ থেকেও এই অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেছিলেন, মালদা ও মুর্শিদাবাদে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, আর তার জেরেই দাঙ্গার ঘটনা বাড়ছে। অনুপ্রবেশ বাংলার একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, এই সমস্যার প্রভাব শুধু সামাজিক অস্থিরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; কর্মক্ষেত্র, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবেশও বিপর্যস্ত হচ্ছে একাধিক জেলায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলিও অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশ থেকে ফেরত পাঠাচ্ছে। অথচ বাংলায় তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা কার্যত অসম্ভব। মোদীর দাবি, সাধারণ মানুষের জমি রক্ষা করা তো দূরের কথা, তৃণমূলের নেতা ও সিন্ডিকেট অনুপ্রবেশকারীদের 'পোর্টার' বানিয়ে একটি চক্র চালাচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা স্থানীয়দের কর্মক্ষেত্রে থাবা বসাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মালদার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই অনুপ্রবেশকারীরাই মা-বোনেদের হেনস্থা করছে এবং একের পর এক অপরাধ ঘটাচ্ছে। এর ফলে সমাজের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ ও মালদায় দাঙ্গার পরিবেশ তৈরির পিছনেও অনুপ্রবেশ বড় কারণ, বলেন প্রধানমন্ত্রী।