Advertisement

Bangladesh border constituencies West Bengal: বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ৭ আসনে ৬টিতেই TMC প্রার্থী নতুন মুখ, 'ক্লিন ইমেজ'-এ ভরসা

বিশেষ করে সন্দেশখালি, হাড়োয়া ও বসিরহাট উত্তরের মতো সংবেদনশীল কেন্দ্রে এই কৌশল আরও তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন প্রার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন না। তবে স্থানীয় স্তরে তাঁদের যোগাযোগ এবং সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা দলের কাছে বড় ভরসা।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Mar 2026,
  • अपडेटेड 11:06 AM IST
  • বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বড়সড় কৌশলগত পরিবর্তন আনল তৃণমূল কংগ্রেস।
  • বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৬টিতেই নতুন মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বড়সড় কৌশলগত পরিবর্তন আনল তৃণমূল কংগ্রেস। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৬টিতেই নতুন মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে। একমাত্র মিনাখাঁ কেন্দ্রেই বিদায়ী বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডলকে ফের টিকিট দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন, বাদুড়িয়ায় বুরহানুল মোকাদ্দিম, বসিরহাট দক্ষিণে সুরজিৎ মিত্র (বাদল), বসিরহাট উত্তরে তৌসিফ রহমান, হিঙ্গলগঞ্জে আনন্দ সরকার, সন্দেশখালিতে ঝর্না সর্দার এবং হাড়োয়ায় আব্দুল মাতিন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই সমস্ত কেন্দ্রই বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বা তার আশপাশে অবস্থিত, ফলে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ব্যাপক প্রার্থী বদলের পিছনে রয়েছে সুস্পষ্ট কৌশল। গত কয়েক বছরে কিছু বিধায়ককে ঘিরে নানা বিতর্ক ও অভিযোগ সামনে এসেছে, যার ফলে স্থানীয় স্তরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই নতুন, তুলনামূলকভাবে ‘পরিষ্কার ভাবমূর্তি’র প্রার্থীদের সামনে আনা হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের বিশ্বাস, এই নতুন মুখরা ভোটারদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হবেন এবং দলীয় ভাবমূর্তিও পুনর্গঠিত হবে।

বিশেষ করে সন্দেশখালি, হাড়োয়া ও বসিরহাট উত্তরের মতো সংবেদনশীল কেন্দ্রে এই কৌশল আরও তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন প্রার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন না। তবে স্থানীয় স্তরে তাঁদের যোগাযোগ এবং সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা দলের কাছে বড় ভরসা।

যদিও দলের একাংশ মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। অল্প সময়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করা, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটানো এবং ভোটারদের আস্থা অর্জন, সবই বড় চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞতার অভাবও কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবুও তৃণমূল নেতৃত্ব আশাবাদী, নতুন মুখের সতেজতা এবং বিতর্কমুক্ত ভাবমূর্তিই এই ঘাটতি পূরণ করবে।

সব মিলিয়ে, সীমান্তবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলিতে নতুন মুখের ওপর ভরসা রেখে তৃণমূল যে পরিবর্তনের বার্তা দিতে চাইছে, তা স্পষ্ট। তবে এই কৌশল ভোটের বাক্সে কতটা সাফল্য পায়, সেটাই এখন দেখার।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement