Advertisement

West Bengal News: বিহার ও বাংলা নিয়ে নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খবর 'ভুয়ো', স্পষ্ট করল কেন্দ্র, মমতার দাবি খারিজ

ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে আবারও ‘বঙ্গভঙ্গ’-এর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ভোটের রাজনীতিতে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যেই বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 07 Mar 2026,
  • अपडेटेड 1:42 PM IST
  • ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে আবারও ‘বঙ্গভঙ্গ’-এর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • শনিবার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ভোটের রাজনীতিতে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যেই বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।

ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে আবারও ‘বঙ্গভঙ্গ’-এর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ভোটের রাজনীতিতে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যেই বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি। মমতার কথায়, আগে যেমন বিহারকে ভাগ করা হয়েছে, তেমনই এখন বাংলাকেও বিভক্ত করার ছক কষা হচ্ছে। ধর্না মঞ্চ থেকেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “একবার বাংলাকে হাত দিয়ে দেখাক বিজেপি, বাংলার মানুষই তার জবাব দেবে।”

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলা ও বিহারের কিছু অঞ্চল নিয়ে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো তৈরির যে আলোচনা চলছে, তার নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। তাঁর দাবি, ভোট কাটার কৌশল হিসেবেই এমন পরিকল্পনার কথা ছড়ানো হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলার ঐক্য নষ্ট করার যে কোনও চেষ্টা রাজ্যের মানুষ কোনওভাবেই মেনে নেবে না।

 

তবে এ নিয়ে যে জল্পনা ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়, যেখানে দাবি করা হয়েছিল বিহারের পূর্ণিয়া, আরারিয়া, কিষানগঞ্জ ও কাটিহার জেলার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মালদা ও উত্তর দিনাজপুরকে মিলিয়ে নতুন একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হতে পারে।

পিআইবির তরফে তথ্য যাচাই করে জানানো হয়েছে, এমন কোনও পরিকল্পনা কেন্দ্র সরকারের নেই। অর্থাৎ বাংলার দুটি জেলা এবং বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়ো।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement