Advertisement

Kolkata: বাংলায় লস্করে নিয়োগ, জঙ্গি হামলার ছক; ৬ বছর পর কারাদণ্ড সেই ইদ্রিসের

রাজ্যে লস্কর-ই-তইবার সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগের অভিযোগে পাক-সংযোগে এক অভিযুক্তকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল NIA-র বিশেষ আদালত। বুধবার বিশেষ আদালত এই সাজা ঘোষণা করে। মুসলিম যুবকদের নিয়োগ এবং মৌলবাদে রূপান্তরের সঙ্গে জড়িত পাক-সমর্থিত মামলায় এক অভিযুক্তকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে (আরআই)।

NIANIA
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Jan 2026,
  • अपडेटेड 1:59 PM IST

রাজ্যে লস্কর-ই-তইবার সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগের অভিযোগে পাক-সংযোগে এক অভিযুক্তকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল NIA-র বিশেষ আদালত। বুধবার বিশেষ আদালত এই সাজা ঘোষণা করে। মুসলিম যুবকদের নিয়োগ এবং মৌলবাদে রূপান্তরের সঙ্গে জড়িত পাক-সমর্থিত মামলায় এক অভিযুক্তকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে (আরআই)।

মুম্বই ও জয়পুরে হামলার ছক ছিল তাদের বলে অভিযোগ। মালয়েশিয়ায় যোগাযোগ ছিল। পাক জঙ্গিরা কীভাবে তাদের স্লিপার সেল সক্রিয় ছিল নিজেই স্বীকার করে ইদ্রিস। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

কলকাতার NIA-র বিশেষ আদালতের আদেশ অনুসারে, কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলার সৈয়দ এম ইদ্রিসকে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং ইউএ(পি) আইনে একযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্তকে ৭০,০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। ২০২০ সালের এপ্রিলে রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে মামলাটি গ্রহণকারী এনআইএ তদন্তের সময় জম্মু ও কাশ্মীরের আলতাফ আহমেদ রাথেরের সঙ্গে ইদ্রিসকে গ্রেফতার করে।

তদন্তে জানা গেছে, স্থানীয়দের নিয়োগ করে লস্কর-ই-তইবা মডিউল গঠনের জন্য এই দুই ব্যক্তি তানিয়া পারভিনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিল। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ২০২০ সালের মার্চ মাসে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়াতে তল্লাশির সময় রাজ্য পুলিশের এসটিএফ তানিয়াকে গ্রেফতার করেছিল। তল্লাশি অভিযানের সময় জিহাদি পাঠ্যপুস্তক ইত্যাদির মতো বিভিন্ন অপরাধমূলক উপকরণ বাজেয়াপ্ত করে এসটিএফ।

তদন্তে আরও দেখা গেছে, ভারত সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যুবকদের উগ্রপন্থী করা হচ্ছিল। 

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর এবং ২০২১ সালের মে মাসে, NIA গ্রেফতার করা তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। দুই পলাতক আসামির বিরুদ্ধে যথাক্রমে রেড এবং ব্লু কর্নার নোটিশ জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া অন্য দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার চলছে। 


Advertisement
TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement