Advertisement

Nipah Virus: নিপা ভাইরাস: কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল ৬০-৬৫ জনকে, নমুনা পরীক্ষা আরও ৩৫ জনের

নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যের ২ নার্স। তাঁদের সংস্পর্শে আসা আরও ৬০-৬৫ জনকে কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী AIIMS-এ পাঠানো হয়েছে বলেও খবর।

Aajtak Bangla
  • বারাসত ,
  • 15 Jan 2026,
  • अपडेटेड 9:37 AM IST
  • ২ নার্সের সংস্পর্ষে আসা ৬০-৬৫ জনকে কোয়ারেন্টাইন
  • ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা কল্যাণী AIIMS-এ
  • আর কী জানাল প্রশাসন?

রাজ্যে নয়া আতঙ্কের নাম নিপা ভাইরাস। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে দু'জন নার্স এই মুহূর্তে কোমায় রয়েছেন। দু’জনেরই গ্লাসগো কোমা স্কেলের চোখ খোলা, মৌখিক প্রতিক্রিয়া ও মোটর রেসপন্স এই তিনটি সূচক ৫-এর নীচে রয়েছে। এক্ষেত্রে আক্রান্ত দু’জনের কনট্রাক্ট ট্রেসিং করে প্রায় ৬০-৬৫ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। 

নিপায় আক্রান্ত সিস্টার এবং ব্রাদার নার্সের বয়স যথাক্রমে ২২ এবং ২৫ বছর। দু’জনেই বারাসতের হৃদয়পুরে মেস ভাড়া করে থাকেন। জানা গিয়েছে তাঁদের একজন সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানে গিয়েছিলেন। একজনের বাড়ি কাটোয়ায়, অপরজনের বাড়ি নদিয়ায়।  কিন্তু রাজ্যের বাইরে যাওয়ার কোনও ইতিহাস নেই অতিসম্প্রতি। বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ওই দুই নার্স। 

কনট্যাক্ট ট্রেসিং

ওই দু'জন ছাড়া আর কোনও সংক্রমণের তথ্য সামনে আসেনি এখনও পর্যন্ত। তবে আক্রান্ত অবস্থাতেই তাঁরা হাসপাতালে ডিউটি করায় তাঁদের সংস্পর্শে আসা সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে মেসে থাকা ৩ জন, চিকিৎসক এবং অ্যাম্বুল্যান্স চালককেও নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গুসকরায় নার্সিংয়ের একটি পরীক্ষায় বসেছিলেন পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা সিস্টার নার্স। নিউটাউনে টিসিএসের সেন্টারে একটি পরীক্ষায় বসেছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা ব্রাদার নার্স। কনট্রাক্ট ট্রেসিংয়ে আসা এই সকলকে আইসলেশনে থাকার নির্দেশ হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫ জনের নমুনা কল্যাণী AIIMS-এ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। 

বারাসত রথতলা সংলগ্ন বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক দফায় দফায় বৈঠক করেছে।  জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সমুদ্র সেনগুপ্ত  জানিয়েছেন, আক্রান্ত দু'জনেরই কনট্যাক্ট ট্রেসিং করা হচ্ছে। সংখ্যাটা বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য কর্মীদের সতর্ক করে বলা আছে, একিউট এনসেফ্যালাইটিস সিনড্রোমে আক্রান্ত পেলে বা সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোমে কেউ আক্রান্ত হলে কনট্যাক্ট হিস্ট্রি ট্রেস করতে হবে। 

কী বলছে প্রশাসন? 

রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে দু'টি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। নম্বরদুটি হল- 033-2333-0180 এবং 98747-08858। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনণাক্তকরণ শুরু করা হয়েছে এবং ভাইরাসের আরও বিস্তার রোধে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (SOP) বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বলেন, 'আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। রাজ্য সরকার পরিস্থিতি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাসের রোগীদের পরীক্ষা করার পর্যাপ্ত পরিস্থিতি রয়েছে, দুই রোগীর পরিবারের সদস্যরাও নিবিড় চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বলেও জানান স্বাস্থ্য সচিব।' মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী বলেন, 'SOP সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হয়েছে।' 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement