Advertisement

Nipah Virus: রাজ্যে কতটা ছড়িয়েছে নিপা ভাইরাস, কেন অত্যন্ত ভয়ঙ্কর এর প্রকোপ? ব্যাখ্যা ডা: সুবর্ণ গোস্বামীর

২ নার্স ছাড়া কি রাজ্যে আর কারও শরীরে থাবা বসিয়েছে নিপা ভাইরাস? কেন অত্যন্ত ভয়ঙ্কর এর প্রকোপ? মৃত্যু হারই বা কত? সমস্ত কিছুর ব্যাখ্যা দিলেন ডা: সুবর্ণ গোস্বামী।

নিপার মৃত্যুহার কত?নিপার মৃত্যুহার কত?
Aajtak Bangla
  • দার্জিলিং,
  • 26 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:26 PM IST
  • রাজ্যে আর কারও শরীরে থাবা বসিয়েছে নিপা ভাইরাস?
  • কেন অত্যন্ত ভয়ঙ্কর এর প্রকোপ?
  • ব্যাখ্যা দিলেন ডা: সুবর্ণ গোস্বামী

পশ্চিমবঙ্গের দুই নার্স নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। বর্তমানে কেমন আছেন ওই দুই আক্রান্ত? তাঁদের সংস্পর্শে আসা আর কারও কি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে নিপা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে? সমস্ত আপডেট দিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে দার্জিলিং টিবি হাসপাতালের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর অফ হেলথ সার্ভিসেস ও সুপারিন্টেনডেন্ট ডা: সুবর্ণ গোস্বামী। 

বিশিষ্ট এই চিকিৎসক জানিয়েছেন, 'এখনও পর্যন্ত মাত্র দু'জন রোগীর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল এ রাজ্যে। বাকি প্রায় ১৯০ জন সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইন কা হয়। যাঁদের মধ্যে উপসর্গ দেখা গিয়েছিল, তাঁদেরও পরীক্ষা করা হয়ছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সকলেরই সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।' অর্থাৎ বারাসতের ওই দুই নার্স ছাড়া রাজ্যে আর কারও শরীরে নিপা ভাইরাস থাবা বসাতে পারেনি। 

যদিও এখনই বলা যাচ্ছে না, নিপার প্রকোপ কমে গিয়েছে। এমনটাই বলছেন ডা: সুবর্ণ গোস্বামী। তিনি বলেন, 'নিপা ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড অর্থাৎ ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার পর উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার সময়কাল ৪ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে। তাই আমাদের সক্রিয় ভাবে নতুন সংক্রমণের খোঁজ চালিয়ে যেতে হবে।' চিকিৎসক জানিয়েছেন, নিপা আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা সকল ব্যক্তিদের উপরই নজরদারি রাখতে হবে এবং নিয়মিত খবর রাখতে হবে। তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। এই ভাবে টানা ৩ মাস নজরদারি চালানোর পর বলা যাবে তৃতীয় কোনও রোগী পাওয়া গিয়েছে কি না। 

ডা: সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, 'এই সংক্রমণ অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। এর ৩টি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথম এর কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। এমন কোনও ওষুধ নেই যা কার্যকর ভাবে কাজ করে। দ্বিতীয়ত, এর বিরুদ্ধে কোনও ভ্যাকসিন বা টিকা এখনও নেই। তৃতীয়ত এর মৃত্যুহার বা ফ্যাটালিটি রেশিও অত্যন্ত বেশি।'

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে পশ্চিমবঙ্গে শিলিগুড়িতে নিপা থাবা বসিয়েছিল। সে সময়ে মৃত্যুহার ছিল ৭৫ শতাংশ। নদিয়ায় যখন এই সংক্রমণ হয় তখন মৃত্যু হার ছিল ১০০ শতাংশ। কেরলে ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মোট ৯ বার নিপা সংক্রমণ হয়েছে। সেখানে মৃত্যু হার ৫০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশের মধ্যে ওছানামা করেছে। গড়ে যা প্রায় ৯১ শতাংশ। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement