Advertisement

লোকালয়ে হাতি রুখবে আপেল গাছ? পুকুর কাটছেন ১০০ দিনের কর্মীরা

দক্ষিণে আরও বাসযোগ্য বন এবং উত্তরে নিরাপদ পথ তৈরিই হাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘর্ষ কমাতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বনদফতরের কর্মকর্তারা। দক্ষিণবঙ্গে বন বিভাগ কমপক্ষে তিনটি বন পকেট চিহ্নিত করেছে যা তুলনামূলকভাবে ঘন। এই পকেটগুলিকে হাতিদের জন্য আরও বাসযোগ্য করে তোলা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ফাইল ছবি।ফাইল ছবি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 06 Mar 2023,
  • अपडेटेड 4:18 PM IST
  • দক্ষিণে আরও বাসযোগ্য বন এবং উত্তরে নিরাপদ পথ তৈরিই হাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘর্ষ কমাতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বনদফতরের কর্মকর্তারা।
  • দক্ষিণবঙ্গে বন বিভাগ কমপক্ষে তিনটি বন পকেট চিহ্নিত করেছে যা তুলনামূলকভাবে ঘন।

দক্ষিণে আরও বাসযোগ্য বন এবং উত্তরে নিরাপদ পথ তৈরিই হাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘর্ষ কমাতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বনদফতরের কর্মকর্তারা। দক্ষিণবঙ্গে বন বিভাগ কমপক্ষে তিনটি বন পকেট চিহ্নিত করেছে যা তুলনামূলকভাবে ঘন। এই পকেটগুলিকে হাতিদের জন্য আরও বাসযোগ্য করে তোলা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্য বনপাল সৌমিত্র দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলে বিভিন্ন ফাঁকফোঁকর রয়েছে, যেগুলি দিয়েই অনায়াসে হাতিরা সহজেই লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে। যেখানে বনগুলি সাধারণত বড় এবং ঘন, সেখানে এক বন থেকে অন্য বনে যাতায়াত সাধারণত চা বাগানের মাধ্যমে হয়। তাই দক্ষিণবঙ্গের বনাঞ্চলে হাতিদের খাবার এবং জলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করছে বন দফতর।

তিনি আরও জানান, উত্তরবঙ্গে সাতটি হাতির করিডোর নির্ধারণ করা হয়েছে। করি়ডোরগুলি সুরক্ষিত করার জন্য একটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। এবং বাকি অংশেও ওই একই মডেলে কাজ হবে। বাঁকুড়ার বারজোড়ার কাছে একটি জঙ্গলে গত দুমাস ধরে ৭০টির বেশি হাতির একটি পাল বাস করছে। বনটিতে প্রায় ৫ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বট, আপেল-সহ হাতির প্রিয় কিছু গাছ লাগানো হয়েছে। বনপালরাও নিয়মিতভাবে বনে নেপিয়ার ঘাসের মতো তৃণভোজী পশুর খাদ্য রোপণ করে আসছেন, যা কয়েক মাসের মধ্যেই হাতিরা খেতে পারবে। বড়জোড়ার বনে হাতিরা বেশি খাবার পাচ্ছে। এ কারণে তারা সেখানে অবস্থান করছেন। আশেপাশের গ্রামের কলাগাছও বরজোড়ার বনে ফেলা হচ্ছে।

আরও দুটি বন হল ঝাড়গ্রামের তপোবন এবং লালগড়, যা ঝাড়গ্রামের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীনে পড়ে কিন্তু পশ্চিম মেদিনীপুর বিভাগের বন তত্ত্বাবধানে। ওই দুই বনে একই রকম গাছ এবং পশুখাদ্য রোপণ করা হচ্ছে। যে গাছগুলো লাগানো হচ্ছে সেগুলো প্রায় ৬ ফুট লম্বা। সেগুলিতে এক বছরের মধ্যে ফল ধরতে শুরু করবে। শুধু খাবার নয়, চাই পর্যাপ্ত জলও। তাই বনের ভেতরেই পুকুর খোঁড়া হচ্ছে। ওই কাজে MGNREGA সহ একাধিক কাজের প্রকল্পের অধীনে লোক নিয়োগ করা হচ্ছে।

Advertisement

উত্তরবঙ্গে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (ডব্লিউডব্লিউএফ) প্রায় ১৫ বছর আগে একটি গবেষণায় প্রায় ১৪টি হাতির করিডোর চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেগুলি থেকে ৭টি করিডোরে একই মডেলে কাজ হবে। হাশিমারার উত্তরে বক্সা এবং জলদাপাড়া জঙ্গলের মধ্যে একটি করিডোরেও কাজ চলছে। সেখানে দুটি চাবাগান রয়েছে। তৈরি করা হচ্ছে একটি ওয়াচ টাওয়ারও। আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে এই ধরনের আরও ৬টি করিডোর একইভাবে হাতিদের জন্য উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement