Advertisement

দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি বাংলায় এই জেলায়, ৩০ কোটির বেশি উড়ল ৪ দিনেই

Purba Medinipur: দোল মানেই রঙ, আবির আর উৎসবের আনন্দ। তবে পূর্ব মেদিনীপুরে এই উৎসবের সঙ্গে যেন আরও একটি বিষয় জুড়ে যাচ্ছে, মদ বিক্রি। চলতি বছরের দোল উপলক্ষে জেলায় মদের বিক্রিতে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। জেলা আবগারি দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, মার্চের প্রথম চার দিনে জেলায় প্রায় ৩০ কোটি ১১ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:04 PM IST
  • দোল মানেই রঙ, আবির আর উৎসবের আনন্দ।
  • তবে পূর্ব মেদিনীপুরে এই উৎসবের সঙ্গে যেন আরও একটি বিষয় জুড়ে যাচ্ছে, মদ বিক্রি।

দোল মানেই রঙ, আবির আর উৎসবের আনন্দ। তবে পূর্ব মেদিনীপুরে এই উৎসবের সঙ্গে যেন আরও একটি বিষয় জুড়ে যাচ্ছে, মদ বিক্রি। চলতি বছরের দোল উপলক্ষে জেলায় মদের বিক্রিতে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। জেলা আবগারি দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, মার্চের প্রথম চার দিনে জেলায় প্রায় ৩০ কোটি ১১ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।

আবগারি দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ১ মার্চ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে জেলায় মোট ২ লক্ষ ৭৭ হাজার লিটার বাংলা মদ, ১ লক্ষ ৮৬ হাজার লিটার বিদেশি মদ এবং ১ লক্ষ ৮৫ হাজার লিটার বিয়ার বিক্রি হয়েছে। এই সময় জুড়ে জেলার মোট ২৮৮টি মদ বিক্রয় কেন্দ্র খোলা ছিল।

দোলের আগে রবিবার, অর্থাৎ ১ মার্চ, জেলায় মদ বিক্রির অঙ্ক ছিল প্রায় ৭ কোটি ২১ লক্ষ টাকা। ওই দিন ছুটির আবহে অনেক পর্যটক সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় ভিড় করায় বিক্রি হঠাৎ করেই বেড়ে যায় বলে জানিয়েছে আবগারি দফতর।

এর পরের দিন ২ মার্চ, সোমবার বিক্রির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। ওই দিন ৯৪ হাজার ৮১৩ লিটার দেশি মদ, ৬৫ হাজার ৫২৪ লিটার বিদেশি মদ এবং ৫৪ হাজার ৪৭২ লিটার বিয়ার বিক্রি হয়। সব মিলিয়ে ওই দিনের মোট বিক্রি দাঁড়ায় প্রায় ১০ কোটি ২৪ লক্ষ টাকার বেশি।

৩ মার্চ, দোলের দিন সরকারি নিয়ম মেনে মদের দোকান মাত্র আট ঘণ্টা খোলা ছিল। তবুও বিক্রিতে খুব একটা ভাটা পড়েনি। ওই দিন ৪৮ হাজার ৩৪৯ লিটার দেশি মদ, ৩৭ হাজার ৯২০ লিটার বিদেশি মদ এবং ৩৬ হাজার ২৯৮ লিটার বিয়ার বিক্রি হয়। মাত্র আট ঘণ্টায় বিক্রির অঙ্ক পৌঁছে যায় প্রায় ৫ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকায়।

দোলের পরের দিন ৪ মার্চ ছুটি থাকায় বিক্রি আবার বাড়ে। ওই দিন ৬৬ হাজার ৬৭৯ লিটার দেশি মদ, ৪০ হাজার ২৪৫ লিটার বিদেশি মদ এবং ৪৪ হাজার ২৮৩ লিটার বিয়ার বিক্রি হয়েছে। মোট বিক্রির অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ৬ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার বেশি।

Advertisement

জেলা আবগারি দফতরের আধিকারিক মণীশ শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানান, দোলের দিন বেলা দু’টো থেকে দোকান খোলা থাকায় বিক্রি কিছুটা কম ছিল। তবে উৎসবের আবহে মানুষের চাহিদা যথেষ্ট বেশি ছিল।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement