
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ভাষণে বলেন, বাংলার সামনে আজ অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। তিনি দাবি করেন, বিশ্বের বহু সমৃদ্ধ দেশ, যেখানে অর্থের কোনও অভাব নেই, তারাও নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাংলায় কি তা সম্ভব তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার থাকলে? তাঁর বক্তব্যের মূল ১০টি পয়েন্ট জানুন এই প্রতিবেদনে।
১. মালদার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তৃণমূল কংগ্রেসকে 'অত্যন্ত অসংবেদনশীল ও নির্মম সরকার' বলে আক্রমণ করেন এবং বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দেন।
২. তিনি বলেন, বাংলায় এবার সুশাসনের সরকার গঠনের সময় এসেছে এবং মানুষকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে ভোটের মাধ্যমে।
৩. মোদীর লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেন, বাংলার প্রতিটি গরিব পরিবারের নিজস্ব পাকা বাড়ি এবং যোগ্য প্রত্যেকের জন্য বিনামূল্যে রেশন ও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা।
৪. তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রের পাঠানো টাকা ও প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যস্তরের দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে না।
৫. প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কেন্দ্র সরকার গরিবদের জন্য যে অর্থ পাঠায়, তা তৃণমূলের নেতারা লুট করছে।'
৬. ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্নের সঙ্গে বাংলার ভবিষ্যৎকে যুক্ত করে তিনি সুশাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
৭. কেরল, ওড়িশা, ত্রিপুরা, অসম, বিহার ও মহারাষ্ট্রে বিজেপির নির্বাচনী সাফল্যের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, মানুষ উন্নয়ন ও সুশাসনের পক্ষেই রায় দিচ্ছে।
৮. জনতার সঙ্গে স্লোগানের খেলায় তিনি বলেন, 'পাল্টানো দরকার', আর জনতা জবাব দেয়, 'চাই বিজেপি সরকার।'
৯. আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু না করার অভিযোগ তুলে মোদী বলেন, বাংলাই একমাত্র রাজ্য যেখানে এই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প কার্যকর হয়নি।
১০. বন্যা, নদীভাঙন ও মালদা-মুর্শিদাবাদের কর্মসংস্থানের অভাবের কথা তুলে ধরে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিজেপি সরকার এলে দুর্নীতি বন্ধ হবে, বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং মালদার আম অর্থনীতি চাঙ্গা করতে পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে।