
ফের এক চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যু। এবার আর জি কর হাসপাতালের এক চিকিৎসক মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন। নাম শুভজিৎ আচার্য। ওই হাসপাতালেরই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন তিনি। কী কারণে মৃত্যু তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন শুভজিৎ আচার্য। রবিবার রাতে বুকে ব্যথা শুরু হয় তাঁর। সেখানে এক নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হার্টরেট কমানোর জন্য একাধিক ওষুধ খেতেন তিনি। সেই ওষুধ অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে শরীরে বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে। মৃত চিকিৎসকের দেহ বারাসত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
এদিকে ঘটনা নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একজন চিকিৎসকের এভাবে কেন মৃত্যু হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এখনই মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসার পরই আসল কারণ বলা যাবে।
এদিকে এই মৃত্যু নিয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শুভজিৎ খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন। প্র্র্যাকটিস করতেন। কোনও ঝামেলা ঝঞ্জাটের মধ্য়ে থাকতেন না। বাড়িতেও অশান্তি ছিল না। মানসিক চাপে থাকার কোনও লক্ষ্মণও কেউ বুঝতে পারেননি।
কয়েকদিন আগেই কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক শালিনী দাসের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর ভাড়াবাড়ি থেকে দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। শালিনীর হাতে প্রতিষেধক দেওয়ার চ্যানেল লাগানো ছিল। পরে যদিও জানা যায়, শালিনী হাইপারটেনশনের রোগী ছিলেন। কিছুদিন ধরে অসুস্থও ছিলেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা যায়, আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।