Advertisement

ED raids: কয়লা পাচার মামলা: সেই পুলিশ অফিসার মনোরঞ্জনের বাড়িতে আবার ED হানা

কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের তৎপর হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার সকালে রাজ্য পুলিশের আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে পৌঁছয় ইডির একটি দল। দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে অবস্থিত তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী, তারপর শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

বুদবুদ থানার ওসির বাড়িতে ইডি।-ফাইল ছবিবুদবুদ থানার ওসির বাড়িতে ইডি।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Mar 2026,
  • अपडेटेड 9:52 AM IST
  • কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের তৎপর হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
  • বুধবার সকালে রাজ্য পুলিশের আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে পৌঁছয় ইডির একটি দল।

কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের তৎপর হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার সকালে রাজ্য পুলিশের আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে পৌঁছয় ইডির একটি দল। দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে অবস্থিত তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী, তারপর শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

ইডি আধিকারিকরা বাড়িতে পৌঁছেই গেটে একটি হাজিরার নোটিস টাঙিয়ে দেন। তাতে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে মনোরঞ্জন মণ্ডলকে। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এটি তাঁর কাছে পাঠানো তৃতীয় সমন। এর আগে দু’বার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি। বুধবার তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে অভিযানের সময় মনোরঞ্জন মণ্ডল বাড়িতে ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।

কয়লা পাচার মামলায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে ইডি সূত্রে খবর। অভিযোগ, এই মামলায় ‘প্রোটেকশন মানি’ আদায়ের যে লেনদেন হয়েছিল, তার সঙ্গে মনোরঞ্জন মণ্ডলের যোগ থাকতে পারে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসেও ইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, সেই সময় তিনি সদ্য বুদবুদ থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন এবং কিছুদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চে বদলি করা হয়।

এই ঘটনার পেছনে একটি বিতর্কিত অতীতও রয়েছে। ২০২৪ সালে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সেই সময় কয়লা পাচার নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে এক বৈঠকে তিনি বলেছিলেন, কয়লা পাচারের ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর অভিযোগ তোলা হলেও আসলে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের একাংশ অর্থের বিনিময়ে এই পাচারে মদত দিচ্ছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন, এ ধরনের অনিয়ম কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর সেই কড়া বার্তার পরই তৎকালীন বারাবনি থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে সাসপেন্ড করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়। বর্তমানে আবারও ইডির নজরে তিনি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এবারও হাজিরা এড়িয়ে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement