Advertisement

পশ্চিমবঙ্গে SIR: নির্বাচন কমিশনকে বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

West Bengal SIR case: নির্বাচন কমিশনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের SIR মামলার শুনানি ছিল। তাতে সুপ্রিম কোর্টের মূল বার্তা একটাই। গোটা প্রক্রিয়াটা যেন আরও স্বচ্ছ হয়। কোনও ভোটার যেন সুযোগের অভাবে বাদ না পড়েন।

 লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Jan 2026,
  • अपडेटेड 3:22 PM IST
  • নির্বাচন কমিশনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
  • সোমবার পশ্চিমবঙ্গের SIR মামলার শুনানি ছিল।
  • সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়।

West Bengal SIR case: নির্বাচন কমিশনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের SIR মামলার শুনানি ছিল। তাতে সুপ্রিম কোর্টের মূল বার্তা একটাই। গোটা প্রক্রিয়াটা যেন আরও স্বচ্ছ হয়। কোনও ভোটার যেন সুযোগের অভাবে বাদ না পড়েন। প্রত্যেকে সরাসরি বিস্তারিতভাবে নোটিশের কারণ জানাতে হবে। কমিশন জানায়, রাজ্যে SIR প্রক্রিয়ায় প্রায় ১.২৫ কোটি নোটিস জারি। অর্থাৎ এঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই নোটিস আবার তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। 'ম্যাপড', অর্থাৎ ২০০২ সালের SIR তালিকার সঙ্গে যুক্ত ভোটার। 'আনম্যাপড', যাঁদের নাম সেই পুরনো তালিকায় নেই। এরপরেই আসছে সেই বিতর্কিত অংশ; 'লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি'(Logical Discrepancy)। আদালতে দেওয়া নথি অনুযায়ী, প্রায় ১.৩৬ কোটি ভোটারকে এই 'লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি' সেকশনে ফেলা হয়েছে।

এই ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?

আদালতে দেওয়া নথিতে বলা হয়েছে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য,

১. বাবার নামের অমিল

২. বাবা-মায়ের বয়সের সঙ্গে সন্তানের বয়সের অসঙ্গতি

৩. বাবা-মায়ের বয়সের পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি

৪. দাদু-নাতির বয়সের ব্যবধান ৪৫ বছরের কম

৫. ছয় জনের বেশি সন্তান

এর প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ।

 

প্রথমত, আদালত জানায়, যাঁদের এই 'লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি' সেকশনে রাখা হয়েছে, তাঁদের নাম গ্রামাঞ্চলে পঞ্চায়েত ভবনে এবং শহরাঞ্চলে ওয়ার্ড অফিসে প্রকাশ্যে টাঙাতে হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা সহজেই জানতে পারেন, তাঁরা ঠিক কোন ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ছেন। পাশে তাঁদের ঠিক সমস্যা রয়েছে সেটাও উল্লেখ করা থাকবে।

দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশ, সংশ্লিষ্ট ভোটারদের নথি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অযথা বাধা দেওয়া চলবে না। প্রয়োজনে ভোটার নিজে না এসে তাঁর অনুমোদিত প্রতিনিধি; পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা এমনকি কোনও রাজনৈতিক দলের বুথ লেভেল এজেন্টের (BLA) মাধ্যমেও নথি জমা দিতে পারবেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রতিনিধির পরিচয় বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচ্য নয়। মূল বিষয়টি হল ভোটারের অধিকার সুরক্ষিত থাকা।

পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপিকে নির্দেশ 
এদিন পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপিকেও কড়া নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তাতে বলা হয়েছে, SIR সংক্রান্ত শুনানি ও নথি গ্রহণের সময় রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে।

Advertisement

রাজ্য সরকারকেও নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
রাজ্য সরকারকেও নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তাতে বলা হয়েছে, পঞ্চায়েত ভবন ও ব্লক অফিসে (যেখানে হিয়ারিং হবে) পর্যাপ্ত জনবল দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সহায়তা করতে হবে। আদালত আরও জানিয়েছে, নথি জমা নেওয়া বা হিয়ারিং শেষ হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের তা গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতি(Receipt) দিতে হবে।

এদিন শুনানির শেষে প্রধান বিচারপতি জানান, সংবিধানসম্মত স্ট্রাকচার মেনেই এই গোটা প্রক্রিয়াটা চলছে। তাই এটি যেন বিনাবাধায়, সহজেই কমপ্লিট করা হয়। কোনও ভোটার যেন পরে বলতে না পারেন যে, তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই বিষয়টিতে বাড়তি জোর দেয় আদালত। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভোটার তালিকার সংশোধন গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার জন্য সাধারণ মানুষের উপর অযথা চাপ বা ভোগান্তি তৈরি করা চলবে না।

Read more!
Advertisement
Advertisement