Advertisement

SIR: চা বাগানের নথিতেই ভোটার তালিকায় নাম, শুভেন্দুর চিঠিতে সবুজ সংকেত কমিশনের

SIR প্রক্রিয়ায় পরিচয় ও বাসস্থানের নথি হিসেবে চা বাগান এবং সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ড দেখানো যাবে। মান্যতা দিল নির্বাচন কমিশন।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Jan 2026,
  • अपडेटेड 3:08 PM IST
  • পরিচয় ও বাসস্থানের নথি হিসেবে চা বাগান এবং সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ড দেখানো যাবে।
  • উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
  • এক্স মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

SIR প্রক্রিয়ায় পরিচয় ও বাসস্থানের নথি হিসেবে চা বাগান এবং সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ড দেখানো যাবে। শুভেন্দুর আবেদনে মান্যতা দিল নির্বাচন কমিশন। রবিবার (১১ জানুয়ারি) এক্স মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে বসবাসকারী জনজাতি, বনবাসী এবং বাগান শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে নথিগত সমস্যার কারণে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। রাজ্য সরকারের উদাসীনতার অভিযোগও তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত একটি বড় জয়। এক্স পোস্টে তিনি উত্তরবঙ্গের যোগ্য ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'চা বাগান বা সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের নথি ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করতে এগিয়ে আসুন। আপনার ভোটই আপনার প্রকৃত শক্তি।'  
 

— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) January 11, 2026

প্রসঙ্গত, গত ৬ জানুয়ারি শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে পশ্চিমবঙ্গে চলতি এসআইআর প্রক্রিয়ায় চা বাগান ও সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ডকে পরিচয় ও বাসস্থানের সরকারি প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সঠিক ভোটার তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রাতিষ্ঠানিক বাধার কারণে এই সব জনগোষ্ঠী গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে এসেছে, উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, চা বাগান ও সিনকোনা বাগানের বহু শ্রমিকের পূর্বপুরুষরা ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমলে এই অঞ্চলে কাজ শুরু করেছিলেন। সেই সময় সরকারি নথির অভাব থাকায় একমাত্র নির্ভরযোগ্য রেকর্ড হিসেবে বাগান কর্তৃপক্ষের নথিই সংরক্ষিত ছিল। স্বাধীনতার পর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সেই নথিগুলিই তাঁদের পরিচয়, বাসস্থান এবং পরিবারের তথ্য বহন করে এসেছে। শ্রম সংক্রান্ত কল্যাণমূলক প্রকল্পে এই নথিগুলিই কার্যত প্রমাণপত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অবশেষে তাঁর অনুরোধেই সবুজ সংকেত দিল কমিশন।

Read more!
Advertisement
Advertisement