
একদিকে যখন প্রধথানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গ সফরে আসছেন, অন্যদিকে তখন ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বেলডাঙা। ঝাড়খণ্ডের পর এবার বিহারে জেলার আরও এক পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করার অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম কাণ্ড শনিবার সকাল থেকে। এদিন সকালে প্রথমে বড়ুয়া মোড় অবরোধ করেন কয়েকশো মানুষ। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। ফের খবর সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে। একইসঙ্গে হুমায়ুন কবীর বেলডায়া প্রবেশ করতে গেলে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।
এদিন সকালে বেলডাঙা স্টেশন লাগোয়া রেলগেটে ভাঙচুর চালান বিক্ষোভকারীরা। ব্যাহত হয় ট্রেন পরিষেবা। আটকে পড়ে ট্রেন। কৃষ্ণনগর-লালগোলা শাখায় ট্রেন চলাচল থমকে পড়েছে। বেলডাঙার পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে অতিরিক্ত RPF এবং RPSF বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বেলা গড়াতেই পরিস্থিত আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের হটাতে ব়্যাফ নামানো হয়। লাঠিচার্জেরও অভিযোগ ওঠে।
সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়েছে একাধিক ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ক্ষিপ্ত জনতা নেমেছেন রাস্তায়। হাতে রয়েছে বাঁশ। রাস্তার ধারে থাকা যাবতীয় ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলা হচ্ছে। লাথি মারা হচ্ছে তার উপরে। এলাকায় একজনও পুলিশকেও দেখা গেল না। কোথায় গেল পুলিশ উঠছে প্রশ্ন।
প্রশাসনের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এদিনও ঘটনাস্থলে বিশালপুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বিক্ষোভের জেরে রেল ও সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গকে।
এদিকে, বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেনটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোপন সূত্রে খবর মিলেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ছাড়ার পর নতুন ট্রেন লক্ষ্য করে ইট বৃষ্টি, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানো হতে পারে। ফলে পুলিশকে যথাযথ নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করতে বলে চিঠি দিয়েছে RPF।