Advertisement

Hadi Murder Case: হাদি হত্যার মূল ২ অভিযুক্ত ধৃত পশ্চিমবঙ্গে, সত্যিই কি রাজ্য বাংলাদেশি অপরাধীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়?

বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন ওসমান হাদি। আর সেই হাদিকেই প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করা হয়। তারপর হাসপাতালে মৃত্যু হয় হাদির। আর প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল যে হাদি হত্যার আসামীরা বাংলাদেশের বর্ডার পেরিয়ে ভারতে চলে এসেছে। আর সেই আশঙ্কা সত্যি করে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ, বাগদা রোড থেকে ফয়জল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। এরাই হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত বলে খবর।

ওসমান হাদি হত্যাওসমান হাদি হত্যা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Mar 2026,
  • अपडेटेड 9:48 AM IST
  • বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন ওসমান হাদি
  • সেই হাদিকেই প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করা হয়
  • বাগদা রোড থেকে ফয়জল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ

বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন ওসমান হাদি। আর সেই হাদিকেই প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করা হয়। তারপর হাসপাতালে মৃত্যু হয় হাদির। আর প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল যে হাদি হত্যার আসামীরা বাংলাদেশের বর্ডার পেরিয়ে ভারতে চলে এসেছে। আর সেই আশঙ্কা সত্যি করে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ, বাগদা রোড থেকে ফয়জল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। এরাই হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত বলে খবর।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত এই দুই অপরাধী মেঘালয় থেকে গুয়াহাটি, শিলিগুড়ি, কৃষ্ণনগর হয়ে বনগাঁয় পৌঁছে যায়। সেখানেই গা ঢাকি দিয়েছিল তারা। তারপর বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই এই দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। 

আর এই ঘটনা সামনে আসার পরই আবার সরব হয়েছে বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, বাংলা দাগী অপরাধী এবং জঙ্গিদের জন্য 'সেফ হেভেন'। তাই তারা সারা দেশের মধ্যে বাংলাকেই নিরাপদ বলে মনে করেন। আর এই ঘটনা আরও একবার সেই কথা মনে করিয়ে দিল। 

এখন প্রশ্ন হল, সত্যিই কি ধীরে ধীরে বাংলা দাগী আসামীদের জন্য 'নিরাপদ আশ্রয়' হয়ে উঠছে, নাকি এই অভিযোগ অতিরঞ্জিত? আর এই বিষয়টা সম্পর্কে জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলেন প্রাক্তন আইপিএস নজরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, 'আপনারা বলছেন যে হাদির হত্যাকারী ধরা পড়েছে। তবে তারা যে সত্যিই হাদি হত্যাকারী, সেটা জানলেন কীভাবে? এটা তো এখনও প্রমাণ সাপেক্ষ বিষয়। তাই হাদি হত্যা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি নই।'

কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ যে বাংলাদেশি অপরধারীদের লুকানোর জন্য খুব ভাল একটা জায়গা, এটা অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, 'আসলে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের ভাষা এক। তাই বাংলাদেশ থেকে কেউ পালিয়ে এসে এপার বাংলায় আশ্রয় নিলে লুকিয়ে থাকতে সুবিধা হয়। যার ফলে অনেক বাংলাদেশি অপরাধী, দুষ্কৃতী বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসে পশ্চিমবঙ্গে এসে আশ্রয় নেয়। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে থাকতে গেলে তাদের ভাষার কারণে বেশি সমস্যায় পড়তে হবে।'

Advertisement

আইনশৃঙ্খলার অবস্থা খারাপ
পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন যে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা খুবই খারাপ। এখানে প্রশাসন ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। এমনকী পুলিশকেও কাজ করতে দেওয়া হয় না। যার ফলে দৃষ্কৃতীদের জন্য মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে এই রাজ্য। এমনকী বাংলাদেশ থেকেও অনেক অপরাধী এখানে আসছে। তাই পশ্চিমবঙ্গকে সুরক্ষিত রাখতে এখনই প্রশাসনিক এবং পুলিশের স্তরে সংস্কার প্রয়োজন বলে জানান আইপিএস নজরুল ইসলাম।

যদিও শাসক দল তৃণমূল এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা যথাযথ রয়েছে। এমনকী অন্যান্য রাজ্যের থেকে ভাল অবস্থায় রয়েছে। এগুলি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement