Advertisement

TMC MLA Monirul Islam: BDO অফিসে তাণ্ডব, TMC বিধায়ক মনিরুলের বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ কমিশনের

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। মুর্শিদাবাদের জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে (ডিইও) স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দ্রুত এফআইআর করে বিকেল ৫টার মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।

মনিরুল ইসলাম।-ফাইল ছবিমনিরুল ইসলাম।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:14 PM IST
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।
  • মুর্শিদাবাদের জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে (ডিইও) স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দ্রুত এফআইআর করে বিকেল ৫টার মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। মুর্শিদাবাদের জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে (ডিইও) স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দ্রুত এফআইআর করে বিকেল ৫টার মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।

এদিকে ফরাক্কার বিডিও অফিসে ভাঙচুর ও উত্তেজনার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ছ’জন অভিযুক্তকে অবশেষে জামিন দিল জঙ্গিপুর আদালত। বুধবার সন্ধেয় আদালতের নির্দেশে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর তাঁরা জঙ্গিপুর জেল থেকে মুক্তি পান। জেল থেকে বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ফুলের মালা পরিয়ে সংবর্ধনা জানান, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে ‘ভাগাভাগির চেষ্টা’ চলছে, এই অভিযোগ তুলেই প্রথমে সরব হন বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। তাঁর দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার আড়ালে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে লক্ষ্য করে নথি যাচাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে তাঁর উপস্থিতিতেই দলবল নিয়ে ফরাক্কার বিডিও অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার আট দিনের মাথায় এই ঘটনায় কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন।

বিএলও-দের আন্দোলন থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। তাঁদের অভিযোগ, এসআইআর-এর নামে সাধারণ মানুষকে বারবার নথিপত্র দেখাতে বাধ্য করা হচ্ছে, যার ফলে নাগরিকদের অযথা হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। এই মানসিক চাপের কথা জানিয়ে কয়েকজন বিএলও ইআরও-র কাছে গণ ইস্তফাপত্র জমা দিতে যান।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল বিক্ষোভকারী ‘এসআইআর মানব না’ স্লোগান তুলে বিডিও অফিসে ঢুকে পড়েন। বিধায়কের দাবি, সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যেই তিনি এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন।

তবে বিধায়কের উপস্থিতিতে সরকারি দফতরে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল শুরু হয়। ফরাক্কার বিডিও বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী জানান, গোটা বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ঊর্ধ্বতন নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে তিনি আর কোনও মন্তব্য করবেন না বলেও জানান।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement