Advertisement

Abhishek Banerjee: সরাসরি জনতার অভাব শুনলেন, দিলেন আশ্বাস, আলিপুরদুয়ারে অভিষেকের 'দরবার'

ঝাঁ, চকচকে রাজনৈতিক সভা। বাংলার ইতিহাসে এমন সভা আগে দেখেনি বাংলাবাসী। তিন ভূতকে মঞ্চে হাঁটানোর পর এবারে চর্চায় সাদা চিরকুটে লেখা প্রশ্নোত্তর পর্ব। শনিবার তৃণমূলের হেরে যাওয়া আসন আলিপুরদুয়ারে 'রণ সঙ্কল্প সভা' করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েক বছরেই জননেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন অভিষেক। এবারের 'রণ সঙ্কল্প সভা'-ও ঠিক তারই একটি নিদর্শন। 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • আলিপুরদুয়ার,
  • 03 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:57 PM IST

ঝাঁ, চকচকে রাজনৈতিক সভা। বাংলার ইতিহাসে এমন সভা আগে দেখেনি বাংলাবাসী। তিন ভূতকে মঞ্চে হাঁটানোর পর এবারে চর্চায় সাদা চিরকুটে লেখা প্রশ্নোত্তর পর্ব। শনিবার তৃণমূলের হেরে যাওয়া আসন আলিপুরদুয়ারে 'রণ সঙ্কল্প সভা' করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েক বছরেই জননেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন অভিষেক। এবারের 'রণ সঙ্কল্প সভা'-ও ঠিক তারই একটি নিদর্শন। 

গত নির্বাচনে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনেই হারে তৃণমূল। এই আলিপুরদুয়ারের মঞ্চের এ মাথা থেকে ও মাথা জুড়ে দাপিয়ে বেড়াতে দেখা গেল অভিষেককে। সাদা চিরকুটে জনতার প্রশ্ন নিতে দেখা গেল। মঞ্চে দাঁড়িয়ে জনতার সঙ্গে সরাসরি বার্তা বিনিময় করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড। 

এদিন চা বাগানের কর্মী থেকে পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী, একাধিক প্রশ্ন জমা পড়েছিল। একে একে সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন অভিষেক। কোথাও হাসপাতাল নেই, কোথাও ডাক্তার নেই, তো কোথাও অ্যাম্বুল্যান্স নেই, এমনই অভিযোগ আসে একটি চিরকুটে। অভিষেক জানান, তিনি এ ব্যাপারে কথা বলেছেন, এই প্রশ্ন পাওয়ার পর আবারও সচেষ্ট হবেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন আলিপুরদুয়ারের জনতার সমস্ত চাহিদা পূরণ করা।

এদিন জনতার মধ্যে থেকে একজনকে অভিষেক বলেন, একজন আছেন দেখলাম, বিয়ের জন্য টাকা পাননি অভিযোগ করেছেন। মিক নাগাসিয়া আপনার নাম। কোথায় আবেদন করেছিলেন? ডিএম অফিস? বিয়ে হয়ে গিয়েছে আপনার? জবাব আসে হ্যাঁ। অভিষেক বলেন, ‘‘ওই আবেদনপত্র আমাকে পাঠান। আমি ব্যবস্থা করছি।’’ শুধু তাই নয়, এদিন চা শ্রমিকদের কাছ থেকে অভিযোগ শোনেন অভিষেক। তাঁদের স্বাস্থ্য পরিষেবার সমস্যা শোনেন। বঞ্চিত চা-শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারগুলিকে যথাযথ পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন অভিষেক। 

এদিন তিনি আলিপুরদুয়ারবাসীকে একথাও মনে করিয়ে দেন, তৃণমূল ২০২৫-এ পাঁচটা আসনেই হেরেছে। তা সত্ত্বেও এখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়নি। এটাই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে পার্থক্য। বিজেপি মানুষকে কোনও সুরাহা দিতে পারে না। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি হারলে সব অনুদান বন্ধ হয়ে যায়। উল্টে এরা আপনাদের টাকা বন্ধ করে দেয়। দশটি প্রতিশ্রুতি দিয়ে পালিয়ে যাই না আমরা। আমি যা বলি তাই করি। আমরা মিথ্যে বলি না।
 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement