
পুলিশের গাড়িতে তুলতে গিয়ে ধৃত তৃণমূল নেতাকে ছিনতাই গ্রামবাসীর। দীর্ঘদিন গা ঢাকা দেওয়ার পর এই দুষ্কৃতীকে খুঁজছিল পুলিশ। খোঁজ পেয়ে পুলিশের গাড়িতে তুলতে গিয়েই কার্যত ছিনিয়ে নিয়ে পালায় গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। আক্রান্ত খোদ পুলিশ। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার কালকাপুর এলাকার ঘটনা। চোপড়ায় তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য ছিল ধৃত মজিবুর রহমান। ঘটনায় গ্রেফতার ১১ জন।
অস্ত্র মামলায় প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর পুলিশের জালে পড়ে ওই পঞ্চায়েত নেতা। তবে তাকে ধরে প্রিজন ভ্যানে তুলতে গেলেই পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তি হয় গ্রামবাসীদের।
হাত থেকে ছিনিয়ে নিল গ্রামবাসীরা। পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হল প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যকে। পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীদের তুমুল ধস্তাধস্তি বেঁধে যায়। পুলিশের গাড়ি আটকে দুষ্কৃতীকে ছিনিয়ে নিয়ে পালায় তারা। জানা যায়, যারা এই দুষ্কৃতীকে নিয়ে পালায় তারা তারই অনুগামী।
ঘটনার পর বিরাট পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এলাকায় যান চোপড়া থানার আইসি সুরজ থাপা। অভিযুক্ত ফের কোথায় গা ঢাকা দিল সেই খোঁজ চালাতে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। বিরাট পুলিশ বাহিনী ও কমব্যাট ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছয়। পুলিশের দিকে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে গ্রামবাসীরা। এ যেন শাহাজাহান কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি।
এই ঘটনায় চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "কয়েকজন বলল ও কোনও দুষ্কৃতী নয়। গত বারের গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য় ছিল। পুলিশ এসে ঘর ভেঙেছে, এই নিয়ে বচসা হয়। আমি ওদের বকাবকি করেছি। ও যদি নির্দোষ হয় তাহলে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনা যেত। মুজিবর রহমানের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। ওদের কাছে কোনও ওয়ারেন্ট ছিল না তাও পুলিশ ঘর ভেঙেছে।” তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাগাল পেতে ফের আক্রান্ত পুলিশ।