Advertisement

West Bengal SIR controversy: কমিশনের বিশাল পদক্ষেপ, এবার সাসপেন্ড রাজ্যের ৩ মাইক্রো অবজার্ভার

West Bengal SIR controversy: এবার আরও ৩ মাইক্রোঅবজার্বারকে সাসপেন্ড করল কমিশন। মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজ়ারভারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজ়ারভারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজ়ারভারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Feb 2026,
  • अपडेटेड 7:50 PM IST
  • এবার আরও ৩ মাইক্রোঅবজার্বারকে সাসপেন্ড করল কমিশন।
  • কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজ়ারভারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
  • তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতি এবং নিজের কাজ অন্যের উপর চাপানোর অভিযোগ উঠেছে।

West Bengal SIR controversy: এবার আরও ৩ মাইক্রো অবজার্বারকে সাসপেন্ড করল কমিশন। মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজ়ারভারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতি এবং নিজের কাজ অন্যের উপর চাপানোর অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের এক্স হ্যান্ডল থেকে জানানো হয়, কমিশনের নিযুক্ত জেলা পর্যায়ের অবজ়ারভারদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের নিজ নিজ কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে করতে হবে। দায়িত্ব অন্য কারও হাতে দেওয়া যাবে না।  

এমনিতেই রাজ্যে SIR ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন রাজ্যের সাত ERO আধিকারিককে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিয়েছিল। কমিশনের দাবি; তাঁদের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি, অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অবিলম্বে তাঁদের সাসপেন্ড করার জন্য নবান্নে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

তারও আগে আরও ৪ আধিকারিককে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সেই এফআইআর দায়ের না হওয়ায় দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের জন্য রাজ্যকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

এহেন পরিস্থিতিতে তিন মাইক্রো অবজ়ারভারকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।  

উল্লেখ্য, এ দিন দুপুরেই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে ERO দের সাসপেন্ডের বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাত এইআরও-র সাসপেনশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'একটা চোর চুরি করলেও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পায়। সেখানে ERO-দের বিনা প্রশ্নে সাসপেন্ড কেন?' তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের প্রশাসনিক ক্ষমতা কার্যত আটকে দিয়ে কমিশন 'তুঘলকি আচরণ' করছে। ভোটের মাত্র তিন মাস আগে SIR শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'এত বছর সময় পেলেন, তখন করলেন না। এখন হঠাৎ কেন?' তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার ফলে প্রশাসনিক কাজে অচলাবস্থা তৈরি হচ্ছে।

Advertisement

অন্য দিকে কমিশন সূত্রের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কমিশন ও রাজ্য সরকারের সংঘাত আরও বাড়তে পারে। কমিশনের কড়া অবস্থান এবং রাজ্যের আপত্তি; এই দ্বন্দ্ব শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রস্তুতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই দেখার।

Read more!
Advertisement
Advertisement