Advertisement

Birbhum: পরপর বোমা বিস্ফোরণে ভাঙল স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাঁচিল, ভোটের আগে চাঞ্চল্য বীরভূমে

ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই তপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের একাধিক জায়গায় প্রায়ই উদ্ধার হচ্ছে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র। ঘটছে বিস্ফোরণের ঘটনাও। যা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিচ্ছে। এরই মাঝে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। উড়ে গেল প্রাচীর। বোমা বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা।

বীরভূমে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিস্ফোরণবীরভূমে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিস্ফোরণ
স্বপন কুমার মুখার্জি
  • কলকাতা,
  • 08 Mar 2026,
  • अपडेटेड 4:37 PM IST
  • ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই তপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি।

ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই তপ্ত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের একাধিক জায়গায় প্রায়ই উদ্ধার হচ্ছে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র। ঘটছে বিস্ফোরণের ঘটনাও। যা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিচ্ছে। এরই মাঝে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। উড়ে গেল প্রাচীর। বোমা বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা। এবার ঘটনাস্থল কোনও নির্জন মাঠ বা পরিত্যক্ত বাড়ি নয়, বরং জনবহুল এলাকার একটি সরকারি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। মজুত করে রাখা বোমার প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ধূলিসাৎ হয়ে গেল দুবরাজপুর ব্লকের যশপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর। তবে এই ঘটনায় সবচেয়ে বড় আশঙ্কার বিষয় হলো, দুর্ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫ ফুট দূরত্বেই রয়েছে যশপুর হাই স্কুল। 

​স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে যশপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র চত্বর। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কংক্রিটের প্রাচীর মুহূর্তে ভেঙে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রাচীর ঘেঁষে থলি ভর্তি বিপুল পরিমাণ বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল। বিস্ফোরণস্থলের পাশেই  রয়েছে হাই স্কুল। এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, বিস্ফোরণটি স্কুল চলাকালীন বা টিফিনের সময়ে ঘটলে বড়সড় প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।  

তবে কিভাবে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দেওয়াল সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটল সেই বিষয়টি তদন্ত করছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ। স্থানীয় মানুষ সূত্রে জানা গিয়েছে, হঠাৎই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে যশপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র চত্বর। বিস্ফোরণস্থলের পাশেই  রয়েছে যশপুর হাই স্কুল। এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, বিস্ফোরণটি স্কুল চলাকালীন বা টিফিনের সময়ে ঘটলে বড়সড় প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুলের নৈশ প্রহরী জানান, ​"আমরা বিকট শব্দ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। দেখি ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারপাশ। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাঁচিলটা একেবারে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। পাশেই স্কুল, আমাদের ছেলেমেয়েরা সেখানে পড়ে। এই ঘটনায় আমরা ভীষণ আতঙ্কে আছি।" 

Advertisement

বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। দুবরাজপুরের বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, এই বোমা বিস্ফোরণের পর শুনেছি রাতারাতি ভেঙে যাওয়া প্রাচীর নির্মাণ করে রঙ করে দেওয়া হয়েছে। যদি দিনের বেলা এই ঘটনা ঘটত, তাহলে একদিকে হাসপাতাল অন্যদিকে হাইস্কুল। তাই বহু মানুষের ক্ষতি হতে পারত। বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তড়িঘড়ি প্রাচীর নির্মাণ করে রঙ করে দেওয়া হল। আমরা জানতে চাই বাংলায় কোন মানুষ সুরক্ষিত আছে? বোম, বারুদের শিল্প ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের আর কিছু নেই। সামনেই ভোট। তার আগে এলাকার মানুষকে আতঙ্কিত জন্য কারা এটা করছে? 

এ বিষয়ে তৃণমূল মুখপাত্র জামশেদ আলি খান জানান, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। হঠাৎ করে বিজেপি আগেই দাবি করছে এটা বোমা। আমার মনে প্রথমে তদন্ত হওয়া উচিৎ এই বোমা বিজেপি রেখেছে কিনা। তৃণমূল কংগ্রেসকে বোমা বা হিংসার রাজনীতি করতে হবে না। দুবরাজপুরে সবকটি ভোটেই তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে। সেই ভয় থেকেই বিজেপি এই বোমা বারুদের রাজনীতি করছে।

 

রিপোর্টারঃ শান্তনু হাজরা

Read more!
Advertisement
Advertisement