Advertisement

West Bengal Weather Update: বেলা বাড়তেই বোঝা হচ্ছে জ্যাকেট-সোয়েটার, মাসের শেষেই শীতের বিদায়? 

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা আরও এক থেকে দু’ডিগ্রি বাড়তে পারে। পাকিস্তানের ওপর তৈরি হওয়া একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পূর্ব ভারতের দিকে এগোলে তার প্রভাব পড়বে বাংলাতেও।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:55 AM IST
  • দুপুরে আর শীতের কোনও নামগন্ধ নেই কলকাতায়।
  • বরং চড়া রোদে অস্বস্তি বাড়ছে। শীত এবার বিদায়ের পথেই বলে মনে করছেন লোকজন।

দুপুরে আর শীতের কোনও নামগন্ধ নেই কলকাতায়। বরং চড়া রোদে অস্বস্তি বাড়ছে। শীত এবার বিদায়ের পথেই বলে মনে করছেন লোকজন। মঙ্গলবারই তার স্পষ্ট প্রমাণ মিলল। এদিন সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৪ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৩ ডিগ্রি বেশি।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা আরও এক থেকে দু’ডিগ্রি বাড়তে পারে। পাকিস্তানের ওপর তৈরি হওয়া একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পূর্ব ভারতের দিকে এগোলে তার প্রভাব পড়বে বাংলাতেও।

দুপুরের দিকে বেরিয়ে ঘামতে হচ্ছে বহু মানুষকে। সকালে বাতাসে এখনও হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দুপুর গড়াতেই গরম বেশ চেপে বসছে। আবহাওয়া দফতরের এক আধিকারিক জানান, বছরের এই সময়ে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান খুব অস্বাভাবিক নয়। দিন বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য দীর্ঘ সময় ধরে কিরণ দিচ্ছে, ফলে পৃথিবীর পৃষ্ঠ আগের তুলনায় বেশি উত্তপ্ত হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে দিনের তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে।

সকাল ও দুপুরের তাপমাত্রার এই পার্থক্যের কারণেই দুপুরের গরমটা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে। শনিবার তো সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য ছিল ১১ ডিগ্রিরও বেশি।

এই শীতের মরসুমের একেবারে শুরুর দিকে বহু দিনই রাতের তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে গিয়েছিল। দিনের তাপমাত্রাও ছিল ২০ ডিগ্রির কাছাকাছি, যা ৩০ বছরের গড়ের তুলনায় বেশ কয়েক ডিগ্রি কম। সেই দীর্ঘ সময় ধরে ঠান্ডার অভিজ্ঞতার পর জানুয়ারির শেষভাগে এই উষ্ণতা শহরবাসীর কাছে আরও বেশি করে চোখে পড়ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement