২০২৫-এর ৭ ডিসেম্বর, রবিবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটারদের ছবি তুলতে বাড়ি গিয়েছিলেন বিএলও লাবুন খন্দকার। বাড়ি ফেরার সময় কুয়াশায় সমস্যায় পড়েন তিনি। সাকই উল্টে যায় বাইক। দুর্ঘটনায় পা ভেঙে যায় তাঁর। দ্রুত তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে আসা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পা টি অপারেশন করা হয়। তারপর থেকেই শয্যাশায়ী তিনি। প্রতিদিন চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ইতিমধ্যেই 40 হাজারেরও বেশি টাকা খরচ হয়েছে। এই আর্থিক ব্যয় ভার সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ৩১ ডিসেম্বর, বুধবার সিতাই বিধানসভার ভোরাম বুথের শুনানির ডাক পড়েছে বিডিও অফিসে। সেখানে হাজির থাকতে বলা হয়েছে তাঁকেও। বাধ্য হয়ে টোটো ভাড়া করে বাড়ি থেকে ২০ কিমি দূরে বিডিও অফিসে হাজির হয়েছেন তিনি। সঙ্গে এসেছেন তাঁর সহধর্মিনী। দুর্ঘটনার পর থেকেই প্রতিদিনই তাঁর সঙ্গে থাকতে হয়। ওয়াকারে ভর দিয়ে কোনওক্রমে শুনানি কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন তিনি। এমন অবস্থায় বিএলও-কে দেখে চমকে উঠেছেন নির্বাচন আধিকারিক রাও। শুনানির সময় বিএলও-র সই প্রয়োজন। সেই জন্য শুনানির দিন তাঁকে বিডিও অফিসে হাজির হওয়ার কথা জানানো হয়। সেই কারণে ভাঙা পা নিয়ে ওয়াকারের ভর দিয়ে বিডিও অফিসে হাজির হন বিএলও লাবুন খন্দকার।