Advertisement

South Korea Plane Crash: পাখির ঝাঁকই কি কেড়ে নিল ১৭৯ জনের প্রাণ, কী ভাবে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা?

দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সরকারি তরফে। ১২০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

179 passengers died in South Korea plane crash collision with a flock of birds and plane broke into pieces while trying to belly land abk179 passengers died in South Korea plane crash collision with a flock of birds and plane broke into pieces while trying to belly land abk
Aajtak Bangla
  • নতুন দিল্লি,
  • 29 Dec 2024,
  • अपडेटेड 2:06 PM IST
  • বোয়িং 737-800 বিমানটি থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্কক থেকে উড়েছিল
  • বিমানটিতে ১৭৫ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু ছিলেন

দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সরকারি তরফে। ১২০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। এখন সামনে আসছে বিমান দুর্ঘটনার কারণ। মুয়ান বিমানবন্দরে অবতরণের এই বিমানে ঠিক কী ঘটেছিল? 

বোয়িং 737-800 বিমানটি থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্কক থেকে উড়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ল্যান্ডিং গিয়ার না খোলার কারণে বিমানটি রানওয়েতে মুখ তুবড়ে পড়ে।  বিমানটি রানওয়ে দিয়ে ঘষটাতে ঘষটাতে এগিয়ে গিয়ে বিমানবন্দরের কংক্রিটেক পাঁচিলে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। এরপরেই বিমানে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি কর্তারা মনে করছেন যে পাখির ঝাঁকের সঙ্গে বিমানটি ধাক্কা খায়। যার ফলে এর ল্যান্ডিং গিয়ার খারাপ হয়ে যায়।

দ্য কোরিয়া হেরাল্ড জানিয়েছে যে বিমানটি প্রথমবার অবতরণ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এরপর সেটি আকাশে খানিকক্ষণ চক্কর কাটে। দ্বিতীয়বার অবতরণ করার সময় ভেঙে পড়ে। ল্যান্ডিং গিয়ার সম্পূর্ণভাবে না খোলাতেই জরুরি বেলি ল্যান্ডিং করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এর পর বিমানটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। তাতে আগুনও ধরে যায়।

বিমানটিতে ১৭৫ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক এবং অন্য ২ জনের কাছে থাই পাসপোর্ট রয়েছে। এই দুর্ঘটনা গোটা দক্ষিণ কোরিয়ায় শোকের ছায়া ফেলেছে। এত বড় বিমান দুর্ঘটনা শুধুমাত্র যাত্রীদের পরিবার নয়, গোটা দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থার জন্য একটি বড় সতর্ক সংকেত। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

Read more!
Advertisement
Advertisement