Advertisement

Unemployment in Pakistan: ক্ষুধার রাজ্যে পাকিস্তান ঝলসানো রুটি! বেকার অর্ধেকের বেশি মানুষ, নাক কাটল ইসলামাবাদের

বর্তমানে পাকিস্তানে বেকার মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ। গত এক বছরে দেশটিতে বেকারত্বের হার বেড়েছে ০.৮ শতাংশ।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 26 Nov 2025,
  • अपडेटेड 7:26 PM IST
  • শেহবাজ শরিফের দেশে চরমে উঠেছে বেকারত্ব।
  • বর্তমানে পাকিস্তানে বেকার মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ।
  • ক্ষুধার রাজ্যে পাকিস্তান ঝলসানো রুটি!

পাকিস্তান রয়েছে পাকিস্তানেই! শেহবাজ শরিফের দেশে চরমে উঠেছে বেকারত্ব। দেশের মোট কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে প্রায় ৫৪ শতাংশই বর্তমানে কর্মহীন। খোদ পাক সরকারের মন্ত্রক থেকে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। যার জেরে বিশ্বের দরবারে আরও একবার নাক কাটা গেল পাকিস্তানের।

পাকিস্তান ব্যুরো অফ স্ট্যাটিক্টসে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এআরওয়াই নিউজের দাবি, বর্তমানে পাকিস্তানে বেকার মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ। গত এক বছরে দেশটিতে বেকারত্বের হার বেড়েছে ০.৮ শতাংশ। যার ফলে মোট বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে প্রায় ৭.১  শতাংশ।

বিস্ফোরকভাবে পাক সংবাদমাধ্যমটির দাবি, কর্মক্ষম মানুষদের মধ্যে বর্তমানে পাকিস্তানে কর্মরত রয়েছে মাত্র ৪৩ শতাংশ মানুষ। কিন্তু কর্মহীন হয়ে রয়েছেন প্রায় ৫৩.৮ শতাংশ জনগণ। 

নাভিশ্বাস পাকিস্তানি জনতার

রিপোর্টে উল্লেখ, ২০২০-২১ সালে পাকিস্তানে কর্মীদের গড় বেতন ছিল ২৪,০২৮ পাকিস্তানি রুপি। যা বর্তমানে পুরুষদের ক্ষেত্রে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৯,৩০২ এবং  মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩৭,৩৪৭ পাকিস্তানি রুপি। তবে বেতনের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি হলেও, গত পাঁচ বছরে মুদ্রাস্ফীতির চূড়োয় উঠে বসেছে পাকিস্তান। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতেও নাভিশ্বাস উঠেছে আমজনতার। বর্তমানে পাকিস্তানে প্রতি কেজি আটার দাম রয়েছে ১২০-১৪০ পিকেআর (পাকিস্তানি রুপি)-এরও বেশি। যা পাঁচ বছর আগে ছিল মাত্র ৭০ পাকিস্তানি রুপির কাছাকাছি। ফলে বেতন বাড়লেও আখেরে লাভ হয়নি পাকিস্তানি আমজনতার।

উল্লেখ্য বিষয় হল, চলতি বছরেই পাকিস্তানে দারিদ্র্য হ্রাস পাচ্ছে বলে দাবি করেছিল ইসলামাবাদ। তবে, সেই দাবিকে কার্যত নস্যাৎ করে ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়, দরিদ্রদের মধ্যে কেবল সীমিত গোষ্ঠীই সামান্য কিছু উন্নতি দেখেছে, কিন্তু বহু প্রান্তিক মানুষেরা এখনও দারিদ্র সীমার নীচেই অবস্থান করছেন। পাশাপাশি, গ্রামের সাধারণ মানুষেরাও ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির চাপে আর্থিক ভাবে দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে পড়েছেন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement