Advertisement

US Iran Tension: সপ্তাহান্তেই যুদ্ধ? ইরানে হামলার তোড়জোড় আমেরিকার, যুদ্ধজাহাজ, ফাইটার জেট মোতায়েন চলছে

এবার আর হুমকি নয়। ইরানে সরাসরি হামলার জন্য তৈরি হচ্ছে আমেরিকার সেনা। এই সপ্তাহেই আক্রমণ হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিলেই ইরানে হামলা চালানো হবে বলে সংবাদ সংস্থা সিএনএন সূত্রে খবর। 

US ইরান টেনশনUS ইরান টেনশন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Feb 2026,
  • अपडेटेड 9:39 AM IST
  • ইরানে সরাসরি হামলার জন্য তৈরি হচ্ছে আমেরিকার সেনা
  • এই সপ্তাহেই আক্রমণ হতে পারে
  • র্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিলেই ইরানে হামলা চালানো হবে

এবার আর হুমকি নয়। ইরানে সরাসরি হামলার জন্য তৈরি হচ্ছে আমেরিকার সেনা। এই সপ্তাহেই আক্রমণ হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিলেই ইরানে হামলা চালানো হবে বলে সংবাদ সংস্থা সিএনএন সূত্রে খবর। 

মাথায় রাখতে হবে, তেহরানের নিউক্লিয়ার পোগ্রাম নিয়ে আমেরিকার আপত্তি রয়েছে। আর ইরানের সঙ্গে ঝামেলার পরই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে আমেরিকা। তারা নিজেদের ফাইটার জেট, সাপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট এবং যুদ্ধজাহাজ মজুত করছে এই অঞ্চলে। আর ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর আবার এই সময় মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার এত তৎপরতা দেখা গেল বলে দাবি করছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

যতদূর খবর, আমেরিকার সেনার তরফে হোয়াইট হাউজকে জানান হয়েছে যে ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বায়ুসেনা এবং নৌসেনা পৌঁছে গিয়েছে। চাইলে এই সপ্তাহেই ইরান আক্রমণ হবে। 

তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এখন মিডল ইস্টে ৫০-এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে এফ ৩৫এস, এফ ২২এস এবং এফ১৬-এস রয়েছে। এছাড়া ১২-এর বেশি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে সেখানে। দুটি এয়ারক্রাফ্ট কেরিয়ার এবং অসংখ্য অত্যাধুনিক ডিফেন্স সিস্টেম মজুত করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত নেননি
আক্রমণের বিষয়ে এখনও শেষ সিদ্ধান্ত জানাননি ট্রাম্প। তিনি ব্যক্তিগত স্তরে সবদিক ভেবে দেখছেন। নিচ্ছেন অনেকের পরামর্শ বলেও খবর। এই পরিস্থিতিতে বুধবারই হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে উপস্থিত হয়েছিলেন একজন সিনিয়র অফিশিয়াল। তিনি গোটা পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন।

ওদিকে ইরানের পরিস্থিতি সম্পর্কে ট্রাম্পকে জানান বিশেষ রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ এবং তাঁর জামাই জারেদ কুশনির। তাঁরা ইরানের সঙ্গে হওয়া কথোপকথন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জানান। এই কথোপকথন ৩ ঘণ্টার উপর চলে। যদিও সেখান থেকে কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি।

এমন অবস্থায় হোয়াইট হাউজের সেক্রেটরি ক্যারোলিন লিয়াভিট জানান, আগামী সপ্তাহে ইরান নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করবে। ট্রাম্পই কূটনীতির বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন। এখনও মিলিটরি অপশন টেবিলেই রয়েছে। 

Advertisement

যদিও তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন যে, ইরানে আক্রমণ চালানোর অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে ট্রাম্প ন্যাশনাল সিকিউরিটি টিমের কথা শুনেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

ও দিকে আবার ইতিমধ্যেই বেড়ে চলা মার্কিন সামরিক চাপের মধ্যেই পরমাণু কেন্দ্রগুলিকে কংক্রিট এবং বিশাল পরিমাণ মাটি দেওয়ার কাজ শুরু করেছে ইরান। এমনটাই জানাচ্ছে , ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি। তারা সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করেই এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement