Advertisement

Explosion at Islamabad: ইসলামাবাদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে হত অন্তত ৩১, জখম ১৬৯, জারি জরুরি অবস্থা

ইমামবার্গা মূলত শিয়া মুসলিমদের উপাসনা ও শোক পালনের স্থান, যেখানে কারবালার ঘটনার স্মরণে তাঁরা সমবেত হন। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলের দৃশ্য ছিল হৃদয়বিদারক। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কাচের টুকরো, রক্তমাখা কার্পেটের ওপর ছিন্নভিন্ন দেহাংশ এবং স্বজনদের খোঁজে মরিয়া মানুষের ভিড়, সব মিলিয়ে এলাকাটি যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়।

ইসলামাবাদে হাহাকার।-ফাইল ছবিইসলামাবাদে হাহাকার।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 06 Feb 2026,
  • अपडेटेड 7:14 PM IST
  • শুক্রবারের নামাজ চলাকালীন ইসলামাবাদে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় রক্তাক্ত হলো দেশটির রাজধানী।
  • শেহজাদ টাউন এলাকার তারলাই ইমামবার্গায় ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১৬৯ জন।

শুক্রবারের নামাজ চলাকালীন ইসলামাবাদে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় রক্তাক্ত হলো দেশটির রাজধানী। শেহজাদ টাউন এলাকার তারলাই ইমামবার্গায় ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১৬৯ জন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নামাজের জন্য লোকজন জড়ো হওয়ার সময়ই এই বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিক তদন্তের পর কর্তৃপক্ষ একে আত্মঘাতী বোমা হামলা বলে নিশ্চিত করেছে।

ইমামবার্গা মূলত শিয়া মুসলিমদের উপাসনা ও শোক পালনের স্থান, যেখানে কারবালার ঘটনার স্মরণে তাঁরা সমবেত হন। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলের দৃশ্য ছিল হৃদয়বিদারক। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কাচের টুকরো, রক্তমাখা কার্পেটের ওপর ছিন্নভিন্ন দেহাংশ এবং স্বজনদের খোঁজে মরিয়া মানুষের ভিড়, সব মিলিয়ে এলাকাটি যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ত্রাণকাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একজন পুলিশ অফিসার রয়টার্সকে জানান, 'আমরা বহু আহতকে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এখনই মৃতের সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব নয়, তবে নিহতের সংখ্যা অনেক।'

পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য পিআইএমএস ও পলিক্লিনিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকাত মিরজিয়োয়েভের দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মির সঙ্গে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কয়েক দিনের মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। এতে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এটি গত ছ'মাসে ইসলামাবাদে দ্বিতীয় বড় বিস্ফোরণ। এর আগে নভেম্বরে ইসলামাবাদ আদালত চত্বরে একটি গাড়ি বিস্ফোরণে অন্তত ১২ জন নিহত এবং ২৫ জনের বেশি আহত হন। সেই ঘটনাকেও আত্মঘাতী হামলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের তীব্রতা ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত অনুভূত হয়।

সেই সময় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আফগানিস্তানকে দায়ী করে বলেছিলেন, পাকিস্তান কার্যত ‘যুদ্ধাবস্থায়’ রয়েছে। তাঁর মতে, এই লড়াই শুধু সীমান্ত বা বেলুচিস্তানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমগ্র দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িয়ে আছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement