Advertisement

Balochistan Violence: বালোচিস্তানে হামলা ও সেনা অভিযানে ২০০-র বেশি মৃত, ভারতের হাত দেখছে পাকিস্তান

Balochistan Violence: কুয়েটায় সাংবাদিক বৈঠকে প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি জানান, শুক্রবার ও শনিবারের অভিযান মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ২০০। এর মধ্যে ৩১ জন সাধারণ নাগরিক, ১৭ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১৪৫ জন বালোচ লিবারেশন আর্মি (BLA)-র যোদ্ধা।

Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 02 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:10 AM IST

Balochistan Violence: পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে শনিবার থেকে শুরু হওয়া ভয়াবহ হিংসায় এখনও পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বালোচ বিদ্রোহীদের সমন্বিত হামলার জবাবে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী টানা ৪০ ঘণ্টার পাল্টা অভিযান চালায়। এই সংঘর্ষকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনাও তীব্র হয়েছে।

কুয়েটায় সাংবাদিক বৈঠকে প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি জানান, শুক্রবার ও শনিবারের অভিযান মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ২০০। এর মধ্যে ৩১ জন সাধারণ নাগরিক, ১৭ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১৪৫ জন বালোচ লিবারেশন আর্মি (BLA)-র যোদ্ধা। শুধু শনিবারেই প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ।

কোথায় ও কীভাবে হামলা
বালোচ লিবারেশন আর্মি (BLA) একযোগে হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, কুয়েটা, গওয়াদর, মাসতুং ও নোশকি জেলায় ‘অপারেশন হেরোফ (Phase II)’-এর অংশ হিসেবে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর আঘাত হানা হয়। বিদ্রোহীদের বক্তব্য অনুযায়ী, নোশকিতে CTD সদর দফতর দখল, কয়েকটি ফ্রন্টিয়ার কোর ইউনিট ধ্বংস, ৩০ জন বন্দিকে মুক্ত এবং অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

পাকিস্তানের পাল্টা অভিযান
হামলার পর গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মোবাইল ইন্টারনেট ২৪ ঘণ্টার বেশি বন্ধ, প্রধান সড়ক অবরুদ্ধ, ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়। কার্যত ফাঁকা হয়ে যায় কুয়েটার রাস্তাঘাট।

এই হামলার পিছনে ভারতের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ তোলে পাকিস্তান সেনা ও সরকার। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ দাবি করেন, হামলাকারীরা ভারত-সমর্থিত।

ভারতের কড়া প্রতিক্রিয়া
পাকিস্তানের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে ভারত সরকার। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রন্ধীর জয়সওয়াল বলেন, “নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকতেই পাকিস্তান বারবার এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে।”
তিনি আরও বলেন, বালোচিস্তানের মানুষের সমস্যার সমাধানে মন না দিয়ে পাকিস্তান মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় এড়াতে চাইছে।​

 

Read more!
Advertisement
Advertisement