Advertisement

রুশ মহিলার সঙ্গে শুয়ে বিল গেটসের যৌনরোগ? তাবড় ব্যক্তিদের পর্দা ফাঁস, কী এই এপস্টিন ফাইল?

যৌন অপরাধী ও বিরাট ধনকুবের ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নথি 'এপস্টিন ফাইলস' ঘিরে ফের একবার সারা বিশ্বে শোরগোল। সম্প্রতি জেফরি এপস্টিন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করা হয়েছে, আর তাতে স্থান পেয়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় ব্যক্তিদের নাম।

কী এই এপস্টিন ফাইল?কী এই এপস্টিন ফাইল?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Feb 2026,
  • अपडेटेड 2:58 PM IST
  • এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নথি 'এপস্টিন ফাইলস' ঘিরে ফের একবার সারা বিশ্বে শোরগোল।
  • এলন মাস্ক থেকে শুরু করে বিল গেটসের মতো ধনকুবেরদের নাম রয়েছে ওই তালিকায়।
  • কী এই এপস্টিন ফাইলস? বুঝে নিন

যৌন অপরাধী ও বিরাট ধনকুবের ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নথি 'এপস্টিন ফাইলস' ঘিরে ফের একবার সারা বিশ্বে শোরগোল। সম্প্রতি জেফ্রি এপস্টিন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করা হয়েছে, আর তাতে স্থান পেয়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় ব্যক্তিদের নাম। এলন মাস্ক থেকে শুরু করে বিল গেটসের মতো ধনকুবেরদের নাম রয়েছে ওই তালিকায়। 

কী এই এপস্টিন ফাইল?

ঘটনার শুরু আজ থেকে প্রায় ১৮ বছর আগে। ২০০৮ সালে ফ্লোরিডার পাম বিচে এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আসে জেফরি এপস্টিনের বিরুদ্ধে। বিচারে বড় ধরনের সাজা থেকে বেঁচে গেলেও যৌন অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হন জেফরি। 

এর ১১ বছর পর ২০১৯ সালে, এপস্টিনকে আবার গ্রেফতার করা হয় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের দিয়ে যৌন ব্যবসার নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগে। কিন্তু এই মামলায় বিচার হওয়ার আগেই কারাগারে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় তার। সরকারি ভাবে এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই মামলারই দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য, এপস্টিনের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে সংগৃহীত নথিপত্র, ইমেইল এবং যোগাযোগ সংক্রান্ত দলিল সংগ্রহ করা হয়। এভাবেই জন্ম নেয় ‘এপস্টিন ফাইলস’ নামের বিশাল নথিপত্র, যা এখন মাঝে মাঝে জনসমক্ষে আসে।

আমেরিকায় বিক্ষোভের মুখে পড়ে গত ৩০ জানুয়ারি এই নথির একটি অংশ প্রকাশ করা হয়। মার্কিন বিচার বিভাগ কোনও এডিটিং ছাড়াই তাদের ওয়েবসাইটে ডজনখানেক তরুণীর নগ্ন ছবি প্রকাশ করেছে, যাতে তাদের মুখও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল। এই ছবিগুলি মূলত নথি হিসেবেই সংরক্ষিত ছিল। তবে এই ‘এপস্টিন ফাইলস’-এর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহের প্রধান কারণ হল নথিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামের উপস্থিতি। সেখানে তাদের বিকৃত যৌন আচরণ, কন্যা শিশু পাচার, শিশুদের ধর্ষণ, মানুষের মাংস খাওয়াসহ নানান বিতর্কিত তথ্য উঠে এসেছে বলে দাবি। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সময় অভিযোগ, অনুমান ও তথ্য মিশে যাচ্ছে, তবে বাস্তবে আদালতের দৃষ্টিকোণে নাম থাকা মানে অপরাধ প্রমাণ নয়।

Advertisement

এই নথিতে বড় নাম হিসেবে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিল গেটস, ইলন মাস্কেরমতো ব্যক্তিদেরও নাম। অভিযোগ, বিল গেটস বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন। এমনকী রাশিয়ান মহিলাদের থেকে তাঁর যৌন রোগ ছড়িয়েছিল বলেও অভিযোগ। যদিও গেটসের সহকারী এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ বানানো বলেই দাবি করেছেন।

এছাড়াও এই নথিতে নাম রয়েছে ইলন মাস্কের। অভিযোগ ২০১২-১০১৩ সালের মধ্যে ইলন মাস্ক একাধিকবার এপস্টেইনের ক্যারিবীয় দ্বীপে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, সেই সংক্রান্ত ইমেলও সামনে আসেছে। যদিও মাস্ক ইমেইলগুলোর সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন,  ইমেইলগুলোর কিছু অংশ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা হয়েছে। 

এই নথিতে নাম রয়েছে গুগল কো-ফাউন্ডার সের্গেই ব্রিনেরও। অভিযোগ তিনিও একাধিকবার এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে গিয়েছিলেন। পাশাপাশি একাধিকবার এই ফাইলসে নাম এসেছে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও। যদিও তিনি কোনও অপরাধের সঙ্গে জড়িত না বলেই দাবি করে এসেছেন।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement