
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতির জন্য ভারত ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে, ইরানের বিদেশ মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি জারি করেথে। যেখানে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানি নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রাখতে হবে। ঠিক কী বলতে চেয়েছে সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক?
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নৌবাহিনীর সঙ্গে আলোচনার পরই জাহাজে তেল ও গ্যাস পরিবহণ করা যাবে। অর্থাৎ ইরানি নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বৃহস্পকিবার মেহের সংবাদসংস্থায় প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলেছেন, 'হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার জন্য জাহাজগুলিকে ইরানি নৌবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।'
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের স্পষ্ট ইঙ্গিত, তারা ইজরায়েল এবং আমেরিকা ছাড়া অন্য যে কোনও দেশের জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেবে। কিন্তু আক্রমণকারী দেশের জাহাজকে অনুমতি দেবে না। তবে সবটাই নির্ভর করবে নৌবাহিনীর অনুমোদনের উপর। ইরানের উপবিদেশমন্ত্রী এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, 'কিছু দেশ আমাদের সঙ্গে প্রণালী দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের বিষয়ে কথা বলেছে এবং আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি। আমরা বিশ্বাস ররি, আগ্রাসনকে সমর্থনকারী দেশগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত উপভোগ করতে দেওয়া উচিত নয়।'
বন্ধই থাকবে হরমুজ প্রণালী?
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই বৃহস্পতিবার তাঁর পিতার হত্যার পর প্রথম বিবৃতিতে বলেছেন, 'ইরান তার লড়াই চালিয়ে যাবে এবং আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে চাপ হিসেবে হরমুজ প্রণালীকে বন্ধ রাখবে।' খামেনেইয়ের এই বক্তব্য এমন সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে যখন আমেরিকা বারবার দাবি করছে ইরানের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, তিনি যখনই চান যুদ্ধ শেষ করতে পারেন।